শতবর্ষের সমাপ্তি পর্বে বালুরঘাটে সঙ্ঘের শক্তি প্রদর্শন! ৪৯ মণ্ডল ও দুই নগরের স্বয়ংসেবকদের নিয়ে বর্ণাঢ্য পথসঞ্চালন

0
27

শতবর্ষের সমাপ্তি পর্বে বালুরঘাটে সঙ্ঘের শক্তি প্রদর্শন! ৪৯ মণ্ডল ও দুই নগরের স্বয়ংসেবকদের নিয়ে বর্ণাঢ্য পথসঞ্চালন

বালুরঘাট, ১০ অক্টোবর— শতবর্ষ উদ্‌যাপনের শেষ কর্মসূচিকে ঘিরে শনিবার বিকেলে স্বয়ংসেবকদের জমায়েতে সরগরম হয়ে উঠল বালুরঘাট। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একত্রীকরণ ও পথসঞ্চালনে শামিল হলেন ৪৯টি মণ্ডল এবং বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর—এই দুই নগরের স্বয়ংসেবকেরা। বালুরঘাট হাইস্কুল মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে ফের সেখানেই শেষ হয় কর্মসূচি।

সঙ্ঘের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাতটি কর্মসূচির শেষ পর্ব ছিল এ দিনের এই আয়োজন। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শতবর্ষ উদ্‌যাপন করা হয়। প্রতি বছর বিজয়া দশমীর দিন সঙ্ঘের একত্রীকরণ ও পথসঞ্চালন অনুষ্ঠিত হলেও এ বার পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দিন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সঙ্ঘচালক রবিকান্ত বর্মণ।

তিনি বলেন, প্রতি বছরই আমরা শান্তিপূর্ণভাবে একত্রীকরণ ও পথসঞ্চালন করে থাকি। সাধারণত বিজয়া দশমীর দিন এই কর্মসূচি হয়। কিন্তু বাংলার পরিস্থিতি আলাদা হওয়ায় সব সময় ওই দিনটি নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয় না। তাই অখিল ভারতীয় কার্যকর্তাদের কাছে দিন পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছিলাম। সেই আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় এ বার মহালয়ার দিন কর্মসূচি করা হয়েছে।

রবিকান্তবাবুর দাবি, বালুরঘাটে সঙ্ঘের বহু স্বয়ংসেবক রয়েছেন। এ দিনের কর্মসূচিতে তাঁদের অনেকে যোগ দিলেও জেলার বিভিন্ন প্রকোষ্ঠে দায়িত্ব পালনের কারণে বেশ কয়েকজন কার্যকর্তা উপস্থিত হতে পারেননি। তাঁর কথায়, এই আয়োজন শুধু বালুরঘাটের নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গের কর্মসূচিরই অংশ। শতবর্ষ উদ্‌যাপনের শেষ পর্বে একত্রীকরণ ও পথসঞ্চালনের মধ্য দিয়ে সঙ্ঘের ধারাবাহিক কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটল।