কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগে নাড়ু-মোঁয়া তৈরিতে ব্যস্ত বিশ্বনাথ সাহা

0
50

রাত পোহালেই কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে মা লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে উঠবে সনাতনী গৃহস্থরা। ধনদেবীর আরাধনার জন্য চাই নারকেলের নাড়ু ও মুড়ির মোঁয়া। এই নাড়ু-মোঁয়ার যোগান দিতেই ব্যাস্ত কালিয়াগঞ্জের শান্তি কলোনির বাসিন্দা বিশ্বনাথ সাহা। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় চাহিদা মেটাতেই স্বপরিবারে নাড়ু-মোঁয়া তৈরি করছেন বিশ্বনাথবাবু। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বহু গৃহস্থ বাড়িতেই এখন নারকেলের নাড়ু, মুড়ি ও চিঁড়ের মোঁয়া তৈরি হয় না। এর কারণ, মা লক্ষ্মীর আরাধনার জন্য ফেলো কড়ি মাখো তেল প্রবাদের মতোই এখন বাজারেই মিলছে রেডিমেড নারকেলের নাড়ু, তিলের নাড়ু, মুড়ি ও চিঁড়ের মোঁয়া।এই রেডিমেড নাড়ু ও মোঁয়াতে কিন্তু মা-ঠাকুমার হাতের স্বাদ নেই বটে। তবে, মা লক্ষ্মীর আরাধনার জন্য তা যথেষ্ট। আর্থিক সমৃদ্ধি কামনায় প্রতিটি সনাতনী গৃহস্থ বাড়িতেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো করা হয়। ফল ও মিষ্টান্নোর সঙ্গেই মা লক্ষ্মীকে নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু এবং মুড়ি বা চিড়ের মোঁয়া নিবেদন করা হয়। কালের নিয়মে শহরাঞ্চলের বহু বাড়িতেই নাড়ু, মোঁয়া তৈরি বন্ধ হয়েছে। তাই বলে কি মা লক্ষ্মী নাড়ু, মোঁয়া পাবেনা? নিশ্চয়ই পাবে। মুসকিল আসানে তাইতো বিশ্বনাথ সাহা স্বপরিবারে নাড়ু, মুড়ি ও চিড়ের মোঁয়া তৈরি করছেন।