ঝাড়খন্ড সরকারের সম্মতি মিললেই মালদায় নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ আরম্ভ হবে। মালদা প্রশাসনিক ভবনে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে জানালেন রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল।
মনোজ কুমার আবারওয়াল আরো বলেন, মালদায় মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তিনি দেখেছেন। তিনি স্থায়ী সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবছর ভাঙন হয় আবার কাজ হয় আবার ভেঙেও যায়। আমাদের ইরিগেশন দপ্তর তৎপরতার সাথে কাজ করছে। তিনটি আইআইটির সাথে যোগাযোগ আছে সেচ দপ্তর। আই আই টি রুরকি, আইআইটি কানপুর ও আই আই টি পাটনা। এছাড়াও সমস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থার সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে সেচ দপ্তর। পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর আছে। গঙ্গা ও ফুলারের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ৭৫০ মিটার। দুই তিন বছরের মধ্যে গঙ্গা ফুলহার মিশে যেতে পারে তাহলে পরিস্থিতি ভয়ানক হবে। বিপর্যস্ত হবে রেল, সড়ক যোগাযোগ। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
। এই বিষয়ে মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মর্মু বলেন, আগের রাজ্য সরকারের কারণে (তৃণমূল সরকার) ভাঙন রোধের কাজ করা সম্ভব হয়নি। কেন্দ্র থেকে বারবার প্রস্তাব চেয়ে পাঠালেও তা দিতে চাইনি রাজ্য সরকার যার ফলে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি। এখন ডবল ইঞ্জিনের সরকার আছে। কেন্দ্র ও রাজ্য একসাথে কাজ করে ভাঙন আটকাবে।
এই বিষয়ে মানিকচকের বিজেপি বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মন্ডল বলেন, ভাঙন রোধের কাজের জন্য ৩৬০০ কোটি টাকা মজুদ আছে। ২৭ তারিখ কেন্দ্রীয় জল সম্পদ মন্ত্রীর সাথে বৈঠক আছে ভাঙন সমস্যা নিয়ে। ঝাড়খণ্ডের প্রতিনিধি আজকের বৈঠকে ছিলেন। দ্রুত আমরা এনওসি পেয়ে যাব। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি বিশ্বাস আছে জানুয়ারিতেই ভাঙন রোধের শুরু হবে।
রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তরের মন্ত্রী জয়েল মুর্মু বলেন, চলতি বছর ভাঙ্গল রোধের জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণে ভাঙন অনেকটা আটকানো গেছে। বাকি ভাঙন রোধের কাজের জন্য অর্থের কোন অভাব হবে না। দ্রুত কাজ আরম্ভ হবে।
Home উত্তর বাংলা দক্ষিণ দিনাজপুর ঝাড়খণ্ডের সম্মতি মিললেই মালদায় ভাঙন রোধের কাজ শুরু, জানালেন মুখ্যসচিব























