পুজোর আগে রাতদিন ব্যস্ত কারিগররা, কালিয়াগঞ্জে তৈরি হচ্ছে বাহারি ডিজিটাল আলোর বোর্ড

0
18

হাতের আর কয়েক দিন তার পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গাপূজা। আর পূজার দিন গুলিতে ডিজিটাল রঙ বাহারি আলোর ঝলকানিতে সেজে উঠবে পূজা মণ্ডপ গুলির পাশাপাশি রাস্তা ঘাট। তাই এখন বেজায় ব্যস্ত বিভিন্ন ধরণের ডিজিটাল আলোর বোর্ড বানাতে কাড়িগড়েরা। হ্যাঁ এমনি চিত্র দেখা গেলো উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের ভান্ডার অঞ্চলের রাতন এলাকায়।এখানে একপ্রকার রাত দিন এক করে ডিজিটাল আলোর বোর্ড বানাচ্ছে কাড়িগড়েড়া। সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও পূজার আগে বেজায় ব্যস্ত হয়ে যায় তারা। চন্দন নগরের আদলে তাদের হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরণের আলোর বোর্ড বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে থাকে। পূজার আগে কলকাতা সহ বিভিন্ন যায়গা থেকে ডিজাল আলোর বোর্ড তৈরি করা জন্য লাইট ও বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে আসেন তারা। কালিয়াগঞ্জের কাঠের ফ্রেম বানিয়ে তাতে বিভিন্ন রঙের লাইট লাগিয়ে রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে লাইটিং বোর্ড গুলি তৈরি করে বলে জানান কাড়িগড় বিমল দেবসর্মা। তাদের একটি লাইট বোর্ড তৈরি করতে তিন থেকে চার দিন লেগে যায়। তাদের তৈরি লাইট বোর্ড গুলি যেমন বিভিন্ন মহজনেরা কিনে নিয়ে যায় অর্ডার অনুসারে বানিয়ে থাকেন। এবং তারা বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে ভাঁড়া হিসাবেও দেয়। কাড়িগড় বিমল দেবসর্মা আরো বলেন এখোন প্রতিটি পূজা মন্ডপ গুলি কম বেশি ডিজিটাল আলোর লাইটিং চেয়ে থাকে এখোন আর আগের মতো সাদা মাথা লাইট পছন্দ করে না পূজা কমেটি গুলি। তারা কলকাতা,চন্দনগর সহ বিভিন্ন যায়গা থেকে রঙ বেরঙের লাইট এনে ডিজিটাল আলোর বোর্ড কিংবা লাইটিং তৈরি করে। পূজা আর কয়েকদিন তাই এখোন বেজায় ব্যস্ত লাইট তৈরির সাথে যুক্ত কাড়িগড়েড়া। রাত দিন এক করে মহিলা ও পুরুষেরা কাজ করছে।