গঙ্গারামপুরে তিনটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা—তদন্তে পুলিশ

0
49

শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের কাদিঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি মুদিখানা ও চায়ের দোকান সহ মোট তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে কাদিঘাট পলিটেকনিক কলেজ-এর পাশ্ববর্তী এলাকায়। এই অগ্নিকাণ্ডে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি দোকান মালিকদের। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
জানা গিয়েছে, কাদিঘাট পলিটেকনিক কলেজের পাশে নিজের বাড়ির সামনেই দীর্ঘদিন ধরে একটি মুদিখানা ও চায়ের দোকান চালাতেন নিমাই সন্ন্যাসী। দোকানের আয়েই তাঁর সংসার চলত। প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতেও দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান তিনি। গভীর রাতে হঠাৎই দোকানে আগুন লাগে।
স্থানীয় কয়েকজন আগুন দেখতে পেয়ে দোকান মালিককে ডাকাডাকি করেন। বাইরে এসে তিনি দেখেন, দাউদাউ করে জ্বলছে দোকান। আগুনের তাপে দোকানের ভিতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
প্রথমে প্রতিবেশীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় দমকল বাহিনী ও গঙ্গারামপুর থানায় খবর দেওয়া হয়। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকের বাইট নিমাই সন্ন্যাসী বলেন,“সব কিছু শেষ হয়ে গেল। দোকানের প্রায় সমস্ত মালপত্র পুড়ে গেছে। এই দোকানের উপরই আমার সংসার চলত। লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন কীভাবে চলব বুঝতে পারছি না। প্রশাসনের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।”
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া
এলাকাবাসী অপু সরকার বলেন,“হঠাৎ গভীর রাতে আগুন লাগে।গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যাওয়ায় সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।দ্রুত দমকল না এলে আরও বড় বিপদ হতে পারত।”
স্থানীয় বাসিন্দা স্বপন রায় বলেন,“আগুনের কারণ কী তা পরিষ্কার নয়। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া দরকার।”
গঙ্গারামপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক শুভতোষ সরকার বলেন,“ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
এদিকে,এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ও তাঁর পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত এলাকাবাসী। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও সহায়তার দাবি উঠেছে স্থানীয়দের।