*শিলিগুড়িতে ব্রাউন সুগারের কারবারের বড়সড় পর্দাফাঁস!বিশ্বাস কলোনিতে পুলিশের হানা,২৭৩টি ব্রাউন সুগারের প্যাকেট বা বার উদ্ধারের দাবি,গ্রেফতার ননদ-ভাবি*
শিলিগুড়ি:–
_শিলিগুড়িতে ফের মাদক কারবারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল।গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মাটিগাড়া থানার পুলিশের অভিযানে বিশ্বাস কলোনিতে রেললাইনের কাছে একটি বাড়ি থেকে কথিত ব্রাউন সুগারের কারবারের হদিস মিলেছে।এই ঘটনায় ননদ-ভাবি সম্পর্কে দুই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশের এই অভিযানকে মাদকবিরোধী পদক্ষেপের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী,বিশ্বাস কলোনিতে রেললাইনের কাছে একটি বাড়িতে মাদকদ্রব্যের কারবার চলার খবর পেয়ে মাটিগাড়া থানার পুলিশ গোপনে তদন্ত শুরু করে।এরপর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।অভিযানের সময় দুই মহিলাকে আটক করা হয়,যাঁরা সম্পর্কে ননদ ও ভাবি বলে জানা গিয়েছে।ছাপেমারির সময় পুলিশ প্রায় ২৭৩টি ব্রাউন সুগারের প্যাকেট বা বার উদ্ধার করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।তবে উদ্ধার হওয়া মাদকের সঠিক পরিমাণ,প্যাকেটের সংখ্যা এবং বাজারমূল্য সম্পর্কে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া বাকি।মাদক কারবারের সঙ্গে আর কারা জড়িত,খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এই ঘটনায় ধৃত দুই মহিলার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না,তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এই কথিত মাদক কারবারের পিছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না,কোথা থেকে মাদক আনা হতো এবং কোথায় তা সরবরাহ করা হতো সেই সমস্ত বিষয়ও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।বিশ্বাস কলোনির মতো জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন অভিযোগ সামনে আসায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে এবং এর নেপথ্যে থাকা সম্ভাব্য নেটওয়ার্কের সন্ধান পেতে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।তদন্তে নতুন তথ্য উঠে আসার সম্ভাবনা,মাটিগাড়া থানার পুলিশের এই অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে।তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশের পক্ষ থেকে আরও কী কী তথ্য সামনে আনা হয়,এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।উল্লেখ্য;উদ্ধার হওয়া ব্রাউন সুগারের সঠিক পরিমাণ,২৭৩ সংখ্যাটি প্যাকেট না বারের সংখ্যা,মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য এবং গ্রেফতার সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যের আনুষ্ঠানিক পুলিশি নিশ্চিতকরণ এখনও বাকি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা উচিত।






















