প্রতি বছরের মতো এবছর ১৮৮ তম বর্ষে প্রবল উৎসাহ, উদ্দীপনা ও কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পালিত হলো নেংরাপির মহরম উৎসব। শনিবার প্রায় ১০টি গ্রাম থেকে এই মহরম খেলায় অংশগ্রহণ করেছেন। মহরম উৎসবকে ঘিরে ১১ দিন ব্যাপি চলবে মেলা।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার অন্তর্গত নেংরাপীর মাজারে শনিবার ১৮৮তম বর্ষে প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী মহরম উৎসব। এদিন মাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০টি গ্রামের মহরম কমিটির মানুষজন বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খেলায় অংশগ্রহণ করে। উৎসবকে ঘিরে সকাল থেকেই ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। নেংরাপীর মাজারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে অংশগ্রহণ করেন ও মাজারে সিন্নি ছড়ান। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এই মিলনমেলা প্রতি বছরই এলাকার মানুষের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে ওঠে। উৎসব উপলক্ষে বসেছে ১১ দিনব্যাপী বিশাল মেলা। মেলায় রয়েছে জলপরী, নাগরদোলা, ব্রেক ডান্সসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা। পাশাপাশি মনিহারি সামগ্রীর দোকান, খেলনা, পোশাক এবং নানা ধরনের সুস্বাদু খাবারের দোকানেও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও ০১.০৭.২০২৬ তারিখ রয়েছে কাওয়ালী অনুষ্ঠান। মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুর এলাকার বিখ্যাত কাওয়ালী শিল্পী আমজাদ আলী চিস্তি কাওয়ালী করবেন। সঙ্গে মুরশিদাবাদ থেকে আগত শিল্পী যতীন হাজরার উপস্থিতিতে ৪ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বাউল। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেলা কমিটির সেকোটারি সরফরাজ আলী। মেলা কমিটির মোতোয়াল্লী
কালাম চৌধুরী, আব্দুল রাজ্জাক আহাম্মেদ, জিল্লুর রহমান সহ বিশিষ্ট জনেরা। অনুষ্ঠানে আশা অতিথিদের বরণ করে নেওয়া হয়।
এবিষয়ে মেলা কমিটির সেকোটারি সরফরাজ আলী ও মেলা কমিটির মোতোয়াল্লী
কালাম চৌধুরী জানিয়েছেন দীর্ঘ ১৮৮ বছরের এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখে প্রতি বছর শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে উৎসবের আয়োজন করা হয়। একটি রেলী ও মাজারে ফাতেহা করে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।১১দিন ব্যাপি চলবে এই মেলা সঙ্গে কাওয়ালী ও বাউল করা হবে।

























