সিধু-কানুর আবক্ষ মূর্তি ভাঙচুর কাণ্ডে তিন গ্রেপ্তার, তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ
“বংশীহারী থানার পুলিশের অভিযানে ধৃত তিনজনকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ বিচারকের।”
শীতল চক্রবর্তী বুনিয়াদপুর, ১৩ মে দক্ষিণ দিনাজপুর। সিধু-কানুর আবক্ষ মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম উত্তম চৌধুরী (৩৯), উদয় চৌধুরী (৫০) ও গোলক বিশ্বাস (৫৮)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তম ও উদয়ের বাড়ি দেউরিয়া গ্রামে এবং গোলক বিশ্বাসের বাড়ি বাজেহরিপুর গ্রামে। বুধবার দুপুরে ধৃতদের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গত শনিবার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের দিনই বংশীহারী থানার দেউরিয়া গ্রামে সিধু-কানুর আবক্ষ মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা সামনে আসে। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকেই কয়েকশো আদিবাসী মানুষ পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন। রাতের অন্ধকারে কারা এই ভাঙচুর চালিয়েছে, তা জানতে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে।
ঘটনার তদন্তে নেমে বংশীহারী থানার পুলিশ বিভিন্ন সূত্র ধরে তদন্ত চালায়।এরপর মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।বুধবার বেলা ১টা নাগাদ ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
গঙ্গারামপুরের কুমার পুলিশ আধিকারি শুভতোষ সরকার বলেন,“সিধু-কানুর আবক্ষ মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছিল। তদন্তের পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে আদালত তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী জয়ন্ত কুমার মজুমদার জানিয়েছেন,”তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাত দিনের পুলিশি কাজ চাওয়া হয়েছিল বিচারক তিন দিনই পুলিশি হেফাজতের মঞ্জুর করেছে।”
Home উত্তর বাংলা দক্ষিণ দিনাজপুর সিধু-কানুর আবক্ষ মূর্তি ভাঙচুর কাণ্ডে তিন গ্রেপ্তার, তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ





















