বংশীহারীতে ঘরের ভিতর যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য
শীতল চক্রবর্তী বংশীহারী ২ নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর।নিজের ঘরের ভিতর থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারীতে।সোমবার সকাল ৮টা নাগাদ বংশীহারী থানার গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সিঙ্গাদহ মিরাহাটির সিরাজঘাটি এলাকার এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও এলাকায়। মৃত যুবকের নাম শংকর মার্ডি (২৩)। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িতে কাজ সেরে ফিরে শংকরের স্ত্রী সুমিত্রা সোরেন নিজের ঘরে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর কান্নার আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। শাড়ি কেটে শংকরকে নামানো হলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বংশীহারী থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে পান্ডুয়ার আলমপুর গ্রামের জয়ন্তী টুডুর সঙ্গে শংকরের বিয়ে হয়। তাঁদের সাড়ে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। প্রায় চার বছর সংসার করার পর প্রথম স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যান। এরপর প্রায় সাত-আট মাস আগে ইটাহার থানার সন্ধিয়া গ্রামের সুমিত্রা সোরেনকে বিয়ে করেন শংকর।
পরিবারের দাবি, দ্বিতীয় বিয়ের পর প্রথম স্ত্রী শংকর, তাঁর মা শুকুর টুডু ও কাকা গণেশ হাসদার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার জেরেই শংকর মানসিক চাপে ছিলেন বলে পরিবারের অনুমান। তবে আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
শংকরের কাকা গণেশ হাসদার দাবি, দ্বিতীয় বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী সুখেই সংসার করছিলেন। অন্যদিকে, আত্মীয় বিশ্বজিৎ কিস্কু ও রবীনাথ বেশরা জানান, দম্পতির মধ্যে কোনও অশান্তির কথা তাঁদের জানা নেই। পুরো ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।





















