ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কড়া বার্তা ট্রাফিক পুলিশের, গঙ্গারামপুরে ব্যবসায়ীদের সতর্কতা

0
39

ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কড়া বার্তা ট্রাফিক পুলিশের, গঙ্গারামপুরে ব্যবসায়ীদের সতর্কতা “রাস্তা নয়, পথচারীদের জন্যই ফুটপাত” শহরে অভিযানে ট্রাফিক ওসি প্রশান্ত কুমার দাস
শীতল চক্রবর্তী গঙ্গারামপুর ২০ মে :-ফুটপাত দখল করে আর ব্যবসা চালানো যাবে না। পথচারীদের স্বার্থে এবার শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উদ্যোগী হল দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ট্রাফিক পুলিশ। টানা কয়েকদিন ধরে গঙ্গারামপুরের ট্রাফিক ওসি প্রশান্ত কুমার দাসের নেতৃত্বে ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা শহরের একাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ফুটপাত খালি রাখার বার্তা দেন।
অভিযান চলাকালীন যেসব দোকানদার ফুটপাত জুড়ে মালপত্র, স্টল কিংবা অন্যান্য সামগ্রী রেখে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন, তাঁদের দ্রুত সেই সমস্ত জিনিস সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা না করার জন্য সতর্ক করা হয় ব্যবসায়ীদের।
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর গঙ্গারামপুরে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতায়াত করেন।শহরের ব্যস্ত বাজার এলাকা, বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাস্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে দীর্ঘদিন ধরেই ফুটপাত দখলের অভিযোগ উঠছিল। কোথাও দোকানের মালপত্র, কোথাও আবার টোটো দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে সাধারণ পথচারীদের বাধ্য হয়ে রাস্তার উপর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।এর ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বিশেষ করে রাজ্য সড়ক ও জাতীয় সড়কের ধারে এই সমস্যা আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে।স্কুলপড়ুয়া থেকে প্রবীণ নাগরিক, সকলকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে। বহুবার অভিযোগ উঠলেও দীর্ঘদিন কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে দাবি শহরবাসীর একাংশের।
এদিনের অভিযানে ট্রাফিক পুলিশের কড়া অবস্থান দেখে খুশি সাধারণ মানুষ। শহরবাসীর একাংশের বক্তব্য, শুধুমাত্র সতর্কীকরণ নয়, আগামী দিনে নিয়মিত নজরদারি ও কড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে শহরের যান চলাচল যেমন স্বাভাবিক হবে, তেমনই পথচারীদের দুর্ভোগও অনেকটাই কমবে।
ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। গঙ্গারামপুরের ট্রাফিক ওসি প্রশান্ত কুমার দাস বলেন,”পথচারীদের সুবিধার জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশ সুপার ও ডিএসপি ট্রাফিকের নির্দেশে। এর ফলে মানুষের চলাচলে সুবিধা হবে।” গঙ্গারামপুর শহরের ব্যবসায়ী সমিতির নেতা কমলেশ ফৌজদার বলেন,”প্রয়োজনে ব্যবসায়ীরাও ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করবে।”