ভোট পরবর্তী হিংসা ও গ্রেপ্তারি ইস্যুতে তৃণমূলের জরুরি বৈঠক, ডিএম-এসপির সঙ্গে দেখা করার সিদ্ধান্ত

0
132

ভোট পরবর্তী হিংসা ও গ্রেপ্তারি ইস্যুতে তৃণমূলের জরুরি বৈঠক, ডিএম-এসপির সঙ্গে দেখা করার সিদ্ধান্ত
গঙ্গারামপুর ২১ মে দক্ষিণ দিনাজপুর :-ভোট পরবর্তী হিংসা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের বাড়ি ও দোকান ভাঙচুর এবং একাধিক “মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর” অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস।বুধবার গঙ্গারামপুর নিউমার্কেট এলাকার জেলা তৃণমূল পার্টি অফিসে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা হরিরামপুরের বিধায়ক বিপ্লব মিত্র,জেলা তৃণমূল সভাপতি সুবাস ভাওয়াল, কুমারগঞ্জের বিধায়ক তোরাব হোসেন মণ্ডল, প্রাক্তন বিধায়িকা রেখা রায়, তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি নামিজুর রহমান,বালুরঘাট পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশোক মিত্র,তৃণমূল নেতা আশুতোষ সাহা,কাঞ্চন সেন, জয়ন্ত কুণ্ডু সহ জেলা নেতৃত্বের একাধিক সদস্য।
সভায় তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযোগ করেন,ভোটের ফল প্রকাশের পর জেলার বিভিন্ন এলাকায় বেছে বেছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশাপাশি একের পর এক মামলায় দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
তৃণমূল সূত্রে দাবি,সরকার গঠনের পর মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট ও বুনিয়াদপুর মিলিয়ে প্রায় ১৮ জন তৃণমূল নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, বর্তমান জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ, প্রাক্তন বিধায়কের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি এবং বুনিয়াদপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারপারসনও।ধৃতদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ কফ সিরাপ পাচার, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রাখা,জমি সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং চাকরির নামে প্রতারণার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
এবিষয়ে হরিরামপুরের বিধায়ক বিপ্লব মিত্র বলেন,“নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দলে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আমরা জেলা শাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে আমাদের দাবি ও অভিযোগ জানাব।”
সভা শেষে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানায় এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ বন্ধ করার দাবি জানান তারা।