যুব সাথী প্রকল্পে রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে দুই মহিলা প্রধানের সক্রিয় উদ্যোগ গঙ্গারামপুরের গচিহারে,নারী শক্তির ভূমিকায় খুশি পঞ্চায়েত এলাকার মানুষজন

0
29

শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ১৭ই ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ঐকান্তিক উদ্যোগে বাংলার বেকারদের জন্য চালু হওয়া যুব সাথী প্রকল্প সফল করতে মাঠে নেমে পড়লেন পঞ্চায়েত স্তরের জনপ্রতিনিধিরা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের গচিহারে অনুষ্ঠিত যুব সাথী প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে হাজির হয়ে সরাসরি বেকারদের ফর্ম পূরণে সহায়তা করলেন ৫ নম্বর দমদমা ও ৬ নম্বর গঙ্গারামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুই মহিলা প্রধান।
মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গচিহারে আয়োজিত এই ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান ৫নম্বর দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান লিপিকা সরকার এবং ৬ নম্বর গঙ্গারামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জয়শ্রী মাহাতো। তাঁদের এমন উদ্যোগে খুশি পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। প্রধানদের এই সক্রিয় ভূমিকার জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন বহু মানুষজন।সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যুব সাথী প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় বাংলার বেকারদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। জানা গেছে, ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই প্রকল্পে রেজিস্ট্রেশনের দিন নির্ধারিত রয়েছে।
এই উপলক্ষে গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে গচিহারে রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। সেই ক্যাম্প থেকেই যুব সাথী প্রকল্পের পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভান্ডার, কৃষি দপ্তরের সহায়তা শিবির সহ একাধিক জনমুখী প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশনে সহায়তা করেন ওই দুই মহিলা প্রধান।
এবিষয়ে ৫ নম্বর দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লিপিকা সরকার বলেন,“সরকার যে সব জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ঘোষণা করেছে, সেগুলির সুবিধা যেন প্রকৃত উপভোক্তারা পান—এই লক্ষ্যেই আমরা ক্যাম্পে হাজির হয়েছি। মানুষজনদের পাশে থেকে কাজ করে যাব।”
অন্যদিকে ৬নম্বর গঙ্গারামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জয়শ্রী মাহাতো বলেন,“সাধারণ মানুষ যেন কোনও সমস্যায় না পড়ে প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন, সেই কারণেই রেজিস্ট্রেশনের কাজে হাত বাড়ানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকব।”
এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হল বর্তমান সরকারের আমলে নারী শক্তি সমাজ ও প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, আর সেই শক্তিতেই ভর করে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়।