গঙ্গারামপুর সাবডিভিশনাল রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গঙ্গারামপুর হাইরোডে ক্লাবের সামনে মাতৃভাষা দিবস পালন করার সময়” হারিয়ে যাওয়া তিন কিশোরকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে মানবিক ভূমিকা পালন করল

0
12

শীতল চক্রবর্তী গঙ্গারামপুর ২১ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর।শনিবার সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করার সময় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর সাবডিভিশনাল রিপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশন ক্লাবের সদস্যরা বাবার সঙ্গে এসে হারিয়ে যাওয়া তিন কিশোরকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে মানবিক ভূমিকা পালন করলো।পরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের তৎপরতায় ওই তিন কিশোরকে তার পরিবারের লোকদের হাতে তুলে দেয় পুলিশ।সাংবাদিকদের সংগঠনের সদস্যরা এমন ভূমিকা পালন করায় সাধুবাদ জানিয়েছেন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ও গঙ্গারামপুরের মহকুমা আধিকারিক থেকে শুরু করে নিখোঁজ হয়ে ছেলেদের ফিরে পাওয়া কিশোরদের পরিবারের সদস্যরাও। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের সাব ডিভিশনাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ক্লাবটি ২০১৫ সালে গঙ্গারামপুর শহরের চিত্তরঞ্জন সবজি মার্কেটে গড়ে উঠেছে।৪৫জনের উপরে রয়েছে সাংবাদিক সহ সাহিত্যিকেরা।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের সংগঠনের তরফে তাদের ক্লাবের মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছিল। সেই সময় এত সকালে ওই তিন কিশোর কোথায় যাচ্ছে জিজ্ঞেস করতেই তারা সাংবাদিক তথা ক্লাব সম্পাদক শীতল চক্রবর্তী ও সংগঠনের কোষাধক্ষ তথা সাংবাদিক সুজন সূত্রধর ও দুজনকে জিজ্ঞাসা করেন তোমাদের নাম কি, বাড়ি কোথায়। তোমরা কার সঙ্গে এসেছ কোথায় যাচ্ছো।কথা বলা মাত্রই তারা দুজনে কান্না করতে শুরু করে দেন। ওই দুই ছোট্ট কিশোরেরা জানান, বাবার সঙ্গে এসেছি।এখন আর তাদের খুঁজে পাচ্ছি না।এরপরেই সাংবাদিকদের সংগঠনের বাকি সাংবাদিক, বিপ্লব হালদার, অমল দাস নারায়ণ বসাক, শংকর চৌহান, অমিত মহন্ত সাংবাদিক চয়ন হোডরা বসিয়ে ওই দুজনকে টিফিন করান।পরে খবর দেওয়া হয় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশকে।পরে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ সাংবাদিকদের কাছে খবর পেয়েই দুজনকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কোন রকম ভাবে তাদের নাম পরিচয় উদ্ধার করে। গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া তিন কিশোরের নাম রনি চক্রবর্তী, সুজয় সরকার, মনোজ সরকার , তাদের বাড়ি গঙ্গারামপুর থানার বাধমোড।সাংবাদিকরা ওই তিন কিশোরকে উদ্ধার করে তাদের থানায় দিয়ে আসা হয়।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর সাব ডিভিশনাল রিপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের ক্লাবের সভাপতি চয়ন হোড় বলেন,”মানবিক কারণেই এমনটা করা হয়েছে।সারা বছরই আমাদের ক্লাবের সদস্যরা মানুষের জন্য কাজ করে যায়।এখানে সেটাই করা হয়েছে।” ছেলেকে ফিরে পেয়ে সাংবাদিক ও পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই তিন কিশোরের পরিবার। তিন পরিবারের অভিভাবকেরা বলেন,”ধন্যবাদ জানাই পুলিশ ও সাংবাদিকদের এমন কাজ করার জন্য।” সাংবাদিকদের এমন কাজে ভুয়সী প্রশংসা করেছেন গঙ্গারামপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারি শুভতোষ সরকার। তিনি বলেন,”মানবিক উদ্যোগ ধন্যবাদ জানাই সাংবাদিকদের।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here