বালুরঘাট, ১ ফেব্রুয়ারী —– সরকারি হাসপাতাল নাকি খড়ির দোকান! বালুরঘাটের খাসপুর গ্রামীণ হাসপাতালের বাস্তব ছবি দেখলে চমকে উঠতেই হয়। হাসপাতালের মূল চত্বরেই কাঁটা ঝুলিয়ে রমরমিয়ে চলছে খড়ির ব্যবসা। চারপাশ জুড়ে পাহাড়প্রমাণ গাছের ডাল, গুড়ি আর খড়ের স্তূপে কার্যত দখল হয়ে গিয়েছে সরকারি জমি। অথচ বছরের পর বছর ধরে এই দৃশ্য চোখে পড়লেও ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর—কোথাও নেই কোনও কার্যকর উদ্যোগ।
বালুরঘাট ব্লকের অন্তর্গত বহু একর জায়গা জুড়ে থাকা এই পুরনো গ্রামীণ হাসপাতালটির উপর নির্ভরশীল আশপাশের প্রায় ২০ থেকে ২৫টি গ্রামের মানুষ। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলেও আজও এই হাসপাতালই এলাকার প্রধান ভরসা। সেই হাসপাতালের একাংশ দখল করেই খড়ির কারবার চালাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা সুশান্ত মৈত্র ওরফে হাবুল।
হাবুলের সাফাই—নিজস্ব জমি না থাকায় বহু বছর ধরেই হাসপাতালের ভেতরে দোকান চালাচ্ছেন তিনি। “জায়গাটা ফাঁকা পড়ে ছিল, তাই ব্যবহার করছি। স্বাস্থ্য দপ্তর নিষেধ করলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেব,” দাবি তাঁর।
এ বিষয়ে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অপর্ণা সরকার জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে। সরকারি জমিতে এমন কিছু হওয়া আইনসঙ্গত নয় বলেই মানছেন তিনি। তবে বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।
প্রশ্ন উঠছে—সরকারি হাসপাতালের জমি এভাবে দখল হয়ে থাকলেও কেন এতদিন নীরব প্রশাসন? চিকিৎসালয়ের সুরক্ষা আর পরিষেবা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ এখন দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি তুলছেন।
Home উত্তর বাংলা দক্ষিণ দিনাজপুর হাসপাতাল না কি খড়ির দোকান! খাসপুর গ্রামীণ হাসপাতালের চত্বরে বছরের পর বছর...






















