অভিনব চেস একাডেমির উদ্যোগে গঙ্গারামপুরে এক দিবসীয় রাজ্যস্তরের ওপেন র‍্যাপিড চেস টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হলো

0
95

অভিনব চেস একাডেমির উদ্যোগে গঙ্গারামপুরে এক দিবসীয় রাজ্যস্তরের ওপেন র‍্যাপিড চেস টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হলো,মোবাইল ছেড়ে বুদ্ধির খেলায় রাজ্য থেকে মাপলেন মেতেছেন ৮২ জন দাবাড়ু
শীতল চক্রবর্তী, বালুরঘাট | ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর।দাবা খেলাকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশে জমে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহর। গঙ্গারামপুর পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পান সমিতি অবস্থিত এই সংস্থাটি রবিবার গঙ্গারামপুর শহরের চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং অ্যান্ড কালচারাল ক্লাবে অভিনব চেস একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো এক দিবসীয় রাজ্যস্তরের “ওপেন র‍্যাপিড চেস টুর্নামেন্ট”।
এই প্রতিযোগিতায় সারা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ৮২ জন দাবাড়ু অংশগ্রহণ করেন। মোট ৬ রাউন্ডের এই টুর্নামেন্টে বিভিন্ন বয়সের প্রতিযোগীরা নিজেদের কৌশল, দক্ষতা ও মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দেন। খেলা শেষে কৃতী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকদের তরফে জানানো হয়,এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য গঙ্গারামপুরকে দাবা খেলায় পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান করে দেওয়া। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই ধরনের দাবা প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এদিন ওপেন ক্যাটাগরি ‘এ’ ও ‘বি’ গ্রুপের পাশাপাশি আন্ডার-৮, আন্ডার-১০, আন্ডার-১২ ও আন্ডার-১৪ বিভাগে প্রায় ৬০ জন খুদে প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে।
অভিনব চেস একাডেমির কর্ণধার জয়শ্রী চক্রবর্তী ‘ঝা’ এবং তাঁর সহযোগী চন্ডীব্রত ঝরা বলেন,“দাবা একটি বুদ্ধিবৃত্তিক খেলা। ছোটবেলা থেকেই এই খেলায় যুক্ত হলে শিশুদের চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটে। ব্যাপক সাড়া পেয়ে আমরা খুবই খুশি। আগামী দিনে আরও বড় আকারে এই ধরনের টুর্নামেন্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
দুইজন প্রতিযোগী ও এক অভিভাবক জানান,“দাবা এমন একটি খেলা যা চিন্তাশক্তি, ধৈর্য ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায়। শিশুদের ছোট থেকেই এই খেলায় আগ্রহী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত।”
চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং অ্যান্ড কালচারাল ক্লাবের সভাপতি সনদ সরকার বলেন,
“এই প্রতিযোগিতায় সহযোগিতা করতে পেরে আমরা গর্বিত।এমন উদ্যোগ আগামী দিনে শহর ও জেলার ক্রীড়া সংস্কৃতিকে নতুন দিশা দেখাবে।”
সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া এই রাজ্যস্তরের দাবা প্রতিযোগিতা গঙ্গারামপুরের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পরিসরে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন বলেই মনে করছেন স্থানীয় মানুষ, প্রতিযোগী ও অভিভাবকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here