স্বাধীনতার পর প্রথম পাকা রাস্তা! আন্দোলনের জেরে ঢালাই রাস্তা পেল রাঙ্গাপুকুর, উৎসবের আবহ বুনিয়াদপুরে
বালুরঘাট, ২৮ আগষ্ট —–বছরের পর বছর ধুলো-কাদার দুর্ভোগ পেরিয়ে অবশেষে স্বস্তি। লাগাতার আন্দোলন, অবরোধ, ডেপুটেশন—সব কিছুরই সার্থক ফল পেল রাঙ্গাপুকুরবাসী। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত ঢালাই রাস্তায় কাজ। প্রায় সাত লক্ষ টাকা বরাদ্দে বুনিয়াদপুর পুরসভার উদ্যোগ ও রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের তৎপরতায় এলাকায় নেমেছে উৎসবের আবহ।
বুনিয়াদপুর শহরের এক নম্বর ওয়ার্ডের রাঙ্গাপুকুর থেকে লক্ষীপুর যাওয়ার এই একমাত্র রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরেই ছিল একেবারে বেহাল। বর্ষা এলে পরিস্থিতি হয়ে উঠত অসহ্য। ভাঙাচোরা কাঁচা পথ দিয়ে চলাফেরা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। সেই দুর্দশার অবসান ঘটায় যেন নতুন প্রাণ পেল এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা যোগেন মাহাত, আব্দুল আলিম ও রেজাউল ইসলাম উচ্ছ্বাসভরে বলেন, “স্বাধীনতার পর এই প্রথম আমাদের গ্রামে পাকা রাস্তা হচ্ছে। এটা সত্যিই স্বপ্নের মতো।”
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গৌরাঙ্গ হালদার জানান, “এই রাস্তা নিয়ে মানুষের দাবি প্রায় স্বাধীনতার সমবয়সী। আজ তা পূরণ হওয়ায় গোটা গ্রামে উৎসবের আবহ।”
পুরপ্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান কমল সরকার বলেন, “মানুষের বহুদিনের সমস্যা মেটাতে পেরে পুরসভা গর্বিত। মন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে আমরা এই কাজ শুরু করতে পেরেছি।” যদিও রাস্তার একটি অংশ এখনও পঞ্চায়েতের অধীনে। বাসিন্দাদের আশা, দ্রুত সেটিও পাকা হলে তাদের যাবতীয় দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
রাস্তাকে ঘিরে গ্রামে এখন একটাই সুর—“বিপ্লব মিত্র ও পুরসভাকে ধন্যবাদ।”