হাসের বাচ্চা বিলি করাকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও দপ্তরের গোলমালে রণক্ষেত্র

0
70

হাসের বাচ্চা বিলি করাকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও দপ্তরের গোলমালে রণক্ষেত্র গঙ্গারামপুর প্রাণী সম্পদ স্বাস্থ্য দপ্তর

শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ২৬ আগস্ট।পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মধ্যে গোলমালে হাঁসের বাচ্চা বিলি করা বন্ধ করল ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তর। ঘটনার রণক্ষেত্রের আকার নেয় ব্লক প্রাণী সম্পদ স্বাস্থ্য দপ্তর।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তরে এসে হাসের বাচ্চা না পেয়ে আন্দোলন শুরু করে পঞ্চায়েতের স্বনির্ভর গোষ্ঠী মহিলা ও এলাকাবাসীরা। অবশেষে হাসের বাচ্চা বিলি করা করে দেয় ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তর।দপ্তরের আধিকারিকের উপরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর গোষ্ঠীর মহিলা ও বাসিন্দা এতটাই ক্ষুব্ধ হন যে,দপ্তরের আধিকারি তড়িঘড়ি ওই সমস্ত হাঁসের বাচ্চা গাড়িতে করে নিয়ে চলে যান। চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তর অফিসে ।বিডিও ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আধিকারিকদের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। মঙ্গলবার ছিল গঙ্গারামপুর ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও বাসিন্দাদের মধ্যে হাসের বাচ্চা বিলি করার দিন।ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা,৫৪৪০জনের হাতে হাসের বাচ্চা তুলে দেওয়ার দিন ছিল। পঞ্চায়েত সমিতিকে ৩২০জনকে, জেলা পরিষদের বরাদ্দ ১২০জনকে, প্রাণী সম্পদ বিভাগের আধিকারিকে ১০০টি,বাকি হাসের বাচ্চা গুলো দপ্তর থেকে বিলি করার কথা বলা হয়েছিল। হাসের বাচ্চা নিতে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার থেকেই এলাকার মহিলারা এসেছিল প্রাণী সম্পদ ব্লক দপ্তরে।সেখানে গঙ্গারামপুর ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মাধ্যমে তা বিলি করার কথা ছিল। এনামুল রহমান চৌধুরী নামে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বলেন,”আমরা চেয়েছিলাম দপ্তর থেকে এলাকায় নিয়ে গিয়ে তা বিলি করার ,কিন্তু সেটা হলো না।প্রকৃত মানুষজন বঞ্চিত হবে।” স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ,” দপ্তর হাঁসের বাচ্চা দিতে চেয়েছিল তা পঞ্চায়েতের মাধ্যমে জানানো হয়েছিল। এখানে এসে দেখছি আর দেওয়া হচ্ছে না বলে বিক্ষোভ দেখালাম।” গঙ্গারামপুর প্রাণিসম্পদ স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক জানিয়েছেন,”নিয়ম মেনেই হাঁসের বাচ্চা বিলি করা হচ্ছিল। বাধা দিতেই তা বন্ধ করা হয়েছে যথা সময়ে তা সকলকে দিয়ে দেওয়া হবে।” গঙ্গারামপুর ব্লকের বিডিও অর্পিতা ঘোষাল জানিয়েছেন ,”পুরো বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here