আগ্নেয়স্ত দেখিয়ে অপহরণ করে গঙ্গারামপুরের বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিক সংগঠনের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গেল এক ব্যবসায়ীকে,থানায় হলো লিখিত অভিযোগ দায়ের, নিরাপত্তা চেয়ে ওই ব্যবসায়ী দ্বারস্থ হলেন জেলা পুলিশ সুপার ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের,তদন্তে পুলিশ
শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ২১ এপ্রিল দক্ষিণ দিনাজপুর।এক ব্যবসায়ীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে শ্রমিক সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ে আটকে রেখে টাকা পয়সা ছিনতাই করার অভিযোগ উঠল বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। গঙ্গারামপুর পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের পিডব্লিউডি পাড়া এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মামলা করে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রদীপবাবু জেলা পুলিশ সুপার ও গঙ্গারামপুরের মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হয়ে লিখিত অভিযোগ জমা করছেন।এমন ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়েছে শহরে। গঙ্গারামপুর পুরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের পিডব্লুডিপাড়া এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ দাসের অভিযোগ, ১৮/০৪/২০২৫ অভিযুক্তরা তাকে অপহরণ করে একটি জায়গায় নিয়ে যায়।তারা ছয় লক্ষ মোটা অঙ্কের টাকাও দাবি করে তার কাছে বলে অভিযোগ তার।সেখান থেকে পুলিশের সহযোগিতায় সেখান থেকে মুক্তি পেয়ে গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বেশ কয়েকজন অভিযুক্তের নামে।ব্যবসায়ী প্রদীপ বাবুর দাবি ,এই অভিযোগ করার পরেই অভিযুক্তরা তাকে প্রাণে মেরে ফেলে দেবে বলে একাধিকবার হুমকি দিচ্ছিল। এযাত্রায় সে বেঁচে গেল পরে তাকে আবার অপহরণ করা হবে হুমকি দেওয়া হয়।শুক্রবার রাতে কালিতলা থেকে বাড়ি ফেরার পথে শিবনাথ মালাকারের নেতৃত্বে বাকি উপযুক্তদের টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে নিয়ে এসে প্রদীপ অপহরণ করে বাসস্ট্যান্ডে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যায় বলে দাবি করেন প্রদীপবাবু।সেখানেই বেশ কিছু কাগজপত্র সই করানোর পাশাপাশি কাছে থাকা নগদ কুড়ি হাজার টাকা ছিনতাই করে নেন অভিযুক্তরা বলেও গঙ্গারামপুর থানায় অভিযুক্তদের নামে লিখিত অভিযোগ ডায়ের করেছেন ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস।
গঙ্গারামপুর পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের পিডব্লিউডি পাড়া এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী প্রদীপ দাসের অভিযোগ,”
(২)১বেলবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলবাড়ি শিবমন্দির এলাকার বাসিন্দা সোনার দোকানের ব্যাবসায়ী শিবনাথ মালাকার, গঙ্গারামপুর পুরসভার বড় বাজারে সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা কিশান চৌধুরী,সনাতন ঠাকুর,বাবুন ঠাকুর,গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকার বাসিন্দা শান্তি ভান্ডারি ,তমাল কর্মকার,গঙ্গারামপুরের কালিতলা এলাকার বাসিন্দা দীপক দাস সহ আরো অনেকেই মিলে টাকা পয়সা জন্যই তারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুক্রবার রাতে সেখান থেকে পালিয়ে এসে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপার ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের দ্বারস্থ হয়েছেন” গঙ্গারামপুর থানার আইসি শান্তনু মিত্র জানিয়েছেন,”লিখিত অভিযোগ পেয়েই অভিযুক্তদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।খুব তাড়াতাড়ি তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।”। জেলা তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি নামিজুর রহমান বলেন,এমন ঘটনা তা জানা নেই,তবে তিনি খোঁজ নিবেন।”
গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দেওয়ায় অভিযুক্তদের বক্তব্য বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। গঙ্গারামপুরের শহরবাসী প্রশ্ন তুলেছেন,কারা এই ব্যবসায়ী তথা গঙ্গারামপুরের বাসিন্দাদের অপহরণ করে টাকা কামাইয়ের রাস্তা তৈরি করেছ দিনের পর দিন,এর পিছনেই বা কে দিচ্ছে মদত যা গঙ্গারামপুরে আগে কোনদিনই এমন ঘটনা হতো না এখন হচ্ছে অহরহ।কবে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেবে সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলেই।























