এলাকায় মোবাইল টাওয়ার বসানো নিয়ে আপত্তি। আপত্তি জানিয়ে বাধা প্রদান করেছেন এলাকার সাধারন মানুষরা। যদিও আপত্তি জানানো এবং বাধা দেওয়ার কারণে এলাকাবাসীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ বিজেপির যুব মোর্চার সহ সভাপতি শুভঙ্কর রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

0
521

মালদা:- এলাকায় মোবাইল টাওয়ার বসানো নিয়ে আপত্তি। আপত্তি জানিয়ে বাধা প্রদান করেছেন এলাকার সাধারন মানুষরা। যদিও আপত্তি জানানো এবং বাধা দেওয়ার কারণে এলাকাবাসীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ বিজেপির যুব মোর্চার সহ সভাপতি শুভঙ্কর রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এলাকার সাধারণ মানুষেরা একই অভিযোগ করলেও অভিযোগ অস্বীকার করছেন ওই বিজেপি যুবনেতা। ঘটনাটি ঘটেছে গাজোল থানার অন্তর্গত রাঙাভিটা এলাকায়।


ঘটনা বিষয়ে এলাকাবাসীরা জানান ওই এলাকায় কিছুদিন আগেই টাওয়ার বসানোর জন্য জেসিবি দিয়ে মাটি খোঁড়া হচ্ছিল। এলাকাবাসীরা জানতে পারায় তাতে বাধা প্রদান করে। এর পরেই বিজেপির যুব মোর্চার সহ সভাপতি শুভঙ্কর রায় চৌধুরী হুমকি দিতে থাকেন এলাকাবাসীদের এমনটাই অভিযোগ করছেন এলাকাবাসীরা। এমনকি প্রকাশ্যে মহিলাদের অশ্লীল কথাবার্তা বলার অভিযোগ উঠছে বিজেপির যুব মোর্চার ওই নেতার বিরুদ্ধে। ওই এলাকায় যাতে টাওয়ার বসানোর না হয় সেই জন্য এলাকাবাসীরা দ্বারস্থ হয়েছেন ব্লক, থানা ও পঞ্চায়েত প্রশাসনের কাছে। শুক্রবার এই নিয়ে গাজোল এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের দপ্তরে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকাবাসীরা। অবশেষে এলাকাবাসী চাপে পড়ে টাওয়ার তৈরীর কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় পঞ্চায়েত প্রধান। যদিও এলাকাবাসীর ক্ষোভ ওই যুব মোর্চার নেতার বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর অভিযোগ বিভিন্নভাবে এলাকায় উত্তেজনা ও ভীতি প্রদর্শন করতে চাইছে ওই যুব মোর্চার নেতা শুভঙ্কর রায় চৌধুরী।


যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেন ওই যুবনেতা শুভঙ্কর রায় চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালানো হচ্ছে এমনটাই দাবি করছেন তিনি। এই ধরণের ঘটনার সাথে তিনি জড়িত নয় বলে নিজের হয়ে সাফাই দিয়েছেন।


যদিও ঘটনার তীব্র কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মালদা জেলা সভাপতি প্রসূন রায়। তিনি জানান বিজেপির যুব মোর্চার কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে হুমকি দেওয়া। আসলে এ রাজ্যে ওই দলটার অস্তিত্বটাই চলে গেছে। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষে রয়েছি। আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ করবো ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার।


এ বিষয়ে বিজেপির যুব মোর্চা মন্ডল সভাপতি জানান এ ধরনের ঘটনা যুব মোর্চা সমর্থন করে না। যুব মোর্চার কাজ সাধারণ মানুষের পাশে থাকা। এ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হবে। যদি ওই নেতার হুমকি দিয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


একজন রাজনৈতিক নেতা সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করবে এটাই হয়তো সমাজের প্রচলিত নিয়ম। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা ভুলে যদি কোন নেতা এলাকাবাসীদের হুমকি দেন সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মনে কোন রাজনৈতিক দল নিয়ে কি ধারণা তৈরি হবে তা হয়তো স্পষ্ট। কোন রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে সহযোগিতার বদলে যদি হুমকি পায় সাধারণ মানুষ তাহলে তারা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন সেই প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here