কালিয়াগঞ্জ এর বাসন্তী,শেফালী, জুলি, ভরি ও আধি বর্মনেরা একশো দিনের কাজ করলেও সরকারী খাতায় তাদের নাম নেই অথচ তাদের জব কার্ড আছে
কালিয়াগঞ্জ এর বাসন্তী,শেফালী, জুলি, ভরি ও আধি বর্মনেরা একশো দিনের কাজ করলেও সরকারী খাতায় তাদের নাম নেই অথচ তাদের জব কার্ড আছে. গণেশবাটির বাসন্তী,শেফালী, জুলি, ভরি ও আধি বর্মনেরা একশো দিনের কাজ করেও আজও কাজের টাকা অধরা_জবকার্ড হোল্ডারদের একশো দিনের কাজের টাকা কি ভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে তার উজ্বল দৃষ্টান্ত উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের ধনকোল অঞ্চলের গণেশবাটির হত দরিদ্র ভরি রায়,জুলি রায়,বাসন্তী বর্মন,আধি বর্মন এবং সেফালি বর্মন। গণেশবাটির এই হত দরিদ্র জব কার্ড হোল্ডার মহিলারা এক সময় একশো দিনের কাজ করেছিল কয়েকদিন পরেই তাদের ব্যাংকের বইতে টাকা ঢুকে যাবে মনে করে। কিন্তূ হত দরিদ্র মহিলারা যা মনে করেছিল সমস্ত ঘটনাটাই তার উল্টো হয়ে গেছে।এখন বিভিন্ন স্থানে নেতাদের ধরেও কোন কাজ হচ্ছেনা বলে গণেশবাটির বাসন্তী বর্মন সাহা চার মহিলা জানালেন।বুধবার উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের ধনকোল এ তৃণমূলের একশো দিনের সহায়ক শিবিরে ভরি রায়,জুলি রায়,বাসন্তী বর্মন,আধি বর্মন এবং শেফালী বর্মন তাদের জব কার্ড নিয়ে গিয়ে শিবিরের তৃণমূলের নেতাদের প্রশ্ন করে তারা এক বছর আগে একশো দিনের কাজ করেছে।অথচ তারা কোন টাকা পায়নি।এলাকার নেতারা গণেশ বাটির পাঁচ মহিলার জব কার্ড নিয়ে দেখে সেখানে কাজ যে করেছে তার কোন প্রমাণ রাখেনি।অর্থাৎ তাদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে তাদের একশো দিনের টাকা অন্য বই এর মাধ্যমে পাঁচজনের টাকা ই এলাকার প্রভাবশালী নেতারা ইতিমধ্যেই তুলে নিয়েছে যা কেও তাদের আর বলছেনা। জুলি রায় বলেন এই এলাকার মেম্বার তাদের ১০ জনের গ্রুপ করে মাটি কাটার কাজ করিয়ে নিয়েছিল।আজকে যখন গণেশবাটির সহায়ক শিবিরে এসে তাদের জব কার্ড দেখালে তৃণমূলের নেতা বলেন পাঁচজনের কারো নাম তাদের লিস্টে নেই।সুতরাং টাকা পাবার কোন সম্ভাবনা নাই এই কথা শুনেই হতদরিদ্র মহিলারা অবাক হয়ে যায়।কি ভাবে এসব হল কে তাদের টাকা তুলে নিল এই নিয়ে সেখানে চলে প্রচন্ড চিৎকার চেচামেচি।কিন্তু তাতে কোন কাজ না হওয়ায় তারা বাড়ি ফিরে যায়।তারা বাড়ি ফিরে যাবার আগে সাংবাদিকদের বলেন আমরা এটার শেষ দেখেই ছাড়বো।তারা সমস্ত ঘটনা জানতে দুই একদিনের মধ্যেই উত্তর দিনাজপুর জেলার জেলা শাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনার কাছে যাবেন।মহিলা জব কার্ড হোল্ডার শেফালী,জুলি,ভরি আধি ও বাসন্তী দেবীরা জানান তাদের জেলা শাসক খুব ভালো মানুষ।তিনি এর একটা সুবিচার করবেই বলে তাদের বিশ্বাস আছে।এলাকার মানুষের ধারণা একশো দিনের কাজকে কেন্দ্র করে উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে যার উজ্বল দৃষ্টান্ত গণেশবাটির পাঁচ জব হোল্ডার মহিলারা।