স্বাস্থ্য দপ্তরের উসাসীনতা, একই ব্যক্তিকে দুই ধরনের ভ্যাক্সিন দেওয়া হল বালুরঘাটে। সার্টিফিকেট দেখতেই চোখ কপালে উঠলো বিদ্যুৎ কর্মীর

0
449

পিন্টু কুন্ডু , বালুরঘাট, ২৫ জুলাই––– একই ব্যক্তিকে দুই ধরনের করোনার ডোজ, কোভিশিল্ডের পর দেওয়া হল কোভ্যাক্সিন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের। ইন্টারনেট থেকে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতেই চক্ষু চড়ক গাছ এক বিদ্যুৎ দপ্তরের  কর্মীর। ঘটনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে দিন কাটছে বালুরঘাটের মাষ্টার পাড়ার বাসিন্দা অরিজিৎ ঘোষের। শারীরিক ভাবেও কিছুটা অসুস্থ রয়েছেন তিনি । 

পেশায় বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মী অরিজিৎবাবু  ২৭শে এপ্রিল বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে করোনার প্রথম ডোজ হিসাবে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন । সরকারী হিসাব মেনে দ্বিতীয় ডোজও নেন ৬ই জুন তারিখে। এরপরে  ২৫শে জুলাই রবিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে পাঠানো মোবাইল ম্যাসেজ আসে তার কাছে দ্বিতীয় ডোজ নেবার জন্য । যারপরেই কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন তিনি । তড়িঘড়ি ভ্যাক্সিনের সার্টিফিকেট ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করতেই চোখ কপালে ওঠে ওই বিদ্যুৎ কর্মীর। যেখানেই তিনি দেখতে পান প্রথম ডোজ হিসাবে তাকে কোভিডশিল্ড দেওয়া হলেও দ্বিতীয় ডোজ কোভ্যাক্সিন দেওয়া হয়েছে। আর এরপর থেকেই  কিছুটা আতঙ্কিত বোধ করতে থাকেন অরিজিৎ ঘোষ নামে ওই সরকারী কর্মী। তাঁর অভিযোগ সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য দপ্তরের গাফিলতির কারণে এমনটা হয়েছে । যদি তাঁর কোন ক্ষতি হয় তাহলে তার দায় সমস্ত স্বাস্থ্য দপ্তরকেই নিতে হবে । অভিযুক্ত স্বাস্থ্য কর্মীদেরও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অরিজিৎ  ঘোষ বলেন, ভ্যাক্সিনের দুটো ডোজই অনেকদিন আগে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু আজ সকাল থেকে স্বাস্থ্য দপ্তরের বারবার মোবাইল ম্যাসেজেই তার ঘুম ভেঙেছে। নেট থেকে ভ্যাক্সিনের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতেই অবাক হয়ে গিয়েছেন তিনি। এখন কি করবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেন না। যথেষ্ট আতঙ্কিত বোধ করছেন।

যদিও এব্যাপারে  বালুরঘাট ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অর্পন সরকার জানিয়েছেন, এমনটা সাধারণত হওয়ার কথা নয় । মোবাইল নম্বর চেঞ্জ হলে এমনটা হতে পারে । তবে শারীরিক সমস্যা হওয়ার কথা নয় । ইমিউনিটি ক্ষমতা এখন বৃদ্ধি হবে কিনা তা নিয়ে সঠিক তথ্য তাঁদের কাছেও নেই। কাগজগুলো না দেখলে সঠিকটা বলা মুশকিল ।

ReplyReply allForward

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here