টিনের বেড়াকেটে মুখ ঢুকে ঢুকে সিসিটিভি ঘুরিয়ে রাতের অন্ধকারে গঙ্গারামপুর শহরের ৮নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজারে একই ইলেকট্রনিক্সের দোকানে দুবার কয়েক লক্ষ হাজার টাকার চুরি,ক্ষোভ সকলের, তদন্তে পুলিশ শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ৮মে দক্ষিণ দিনাজপুর।গত এক মাসের মধ্যে দুবার মুখ ঢেকে ইলেক্ট্রিকের দোকানে টিনের বেড়াকেটে চুরির ঘটনা ঘটলো।বেছে বেছে দামি ইলেকট্রিক কোম্পানির দুবারে কয়েক লক্ষাধিক টাকার সরঞ্জাম চুরি হয়েছে বলে দোকান মালিকের দাবি।ঘটনাটি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের শহরের ১০নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজার এলাকায়।দোকান মালিক ও এলাকার দোকানদারদের অভিযোগ,রাতে সিভিক ও পুলিশ পাহারার বেশি করে প্রয়োজন রয়েছে।পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেক তা চাইছেন তৃণমূলের কাউন্সিলরও।পুলিশ দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনার তদন্তে নেমেছে।
গঙ্গারামপুর শহরের ১০নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজারের বিজয় সাহার একটি ইলেক্ট্রিকের দোকান রয়েছে।বুধবার রাত্রিতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি গিয়েছিল সে।
অভিযোগ,দোকানের পিছনের টিনের বেড়া কেটে মুখ ঢেকে দোকানের মধ্যে প্রবেশ করে একজন চোর দুষ্কৃতী।সে দোকানে ঢুকেই সিসিটিভির মুখ ঘুরিয়ে দিয়ে বেছে বেছে একটি কোম্পানি ইলেক্ট্রিকের সামগ্রী চুরি করে বলে অভিযোগ দোকান মালিকের।প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন দোকান মালিক বিজয়বাবু। দোকান মালিক বিজয় সাহা অভিযোগ করে বলেন,”এক মাসে দোকানে দুবার চুরি হয়েছে পায় ৬/৭ লক্ষ টাকা। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে চোরের ছবি পুলিশকে দিলেও পুলিশ কিছুই করতে পারেনি।আমি চাই চোরের দল ধরা পড়ুক,ও পুলিশ চুরির জিনিস ফেরতের ব্যবস্থা করুক।” এলাকায় অপর ব্যবসায়ী গৌতম দাস,সহ আরো এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন,”এক মাসে দুবার একই দোকানে চুরি হয়েছে। আমরা চাই এলাকায় সিভিক ও পুলিশ রাত পাহারাদেক ওই এলাকায়।” গঙ্গারামপুর পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলর আশুতোষ ধর জানিয়েছেন,”এমনটা চলতে থাকলে ব্যবসায়ীরা কিভাবে ব্যবসা করবে।পুলিশ প্রশাসনের উচিত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার করুন।”
বৃহস্পতিবার সকালে দোকান খুলতে এসে চুরির বিষয়টি দেখতে পান দোকান মালিক ও তার কর্মচারীরা।তারাই গঙ্গারামপুর থানার পুলিশকে খবর দেয়।খবর পেতেই সঙ্গে সঙ্গেই গঙ্গারামপুর থানার টাউন অফিসার এসআই বিশ্বজিৎ বর্মন পুলিশ নিয়ে এসে সেখানে ছুটে গিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করে। গঙ্গারামপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপায়ন ভট্টাচার্য বলেন,”পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে।খুব তাড়াতাড়ি দুষ্কৃতীর দলটি ধরা পড়বে। এলাকায় সিভিক ও পুলিশ দিয়ে পাহাড়ের নজরদারি বাড়ানো হবে।”