একই রাতে গঙ্গারামপুর থানার নিজ মাছ বাজারের ব্যবসায়ীদের পাঁচটি দোকানে এক যুবক চোর পাঁচটি দোকানে চুরি করে, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে চোরকে শনাক্ত করেন দোকান মালিকেরা,পুলিশে জানানো হলো লিখিত অভিযোগ -তদন্ত শুরু করেছে তারা
শীতল চক্রবর্তী গঙ্গারামপুর ২২ শে অক্টোবর দক্ষিণ দিনাজপুর। একই রাতে মাছের ব্যবসার পাঁচটি দোকানে ভয়াবহ চুরির ঘটনা ঘটলো।শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের নিজ মাছবাজার সমবায় সমিতির মার্কেটের মাছের ব্যবসায়ীদের দোকানে।গ্রিল ও তালা ভেঙে দোকানে ঢুকে ওই চোর যুবক ক্যাশ বাক্স ভেঙে বেশ কয়েক হাজার টাকা চুরি করেছে ওই ৫টি দোকানে বলে দোকানদারদের অভিযোগ। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে চোরকে শনাক্ত করেছে তারা বলে দাবি তাদের। শনিবার সকালে ঘটনাটি জানিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে দোকান মালিকদের তরফে।পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এমন ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকাজুড়ে। গঙ্গারামপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড গঙ্গারামপুর নিজ মাছ বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী দোকানদারদের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে তারা মাছের দোকানে সমস্ত কাজকর্ম সেরে বাড়ি চলে যান। শনিবার সকালে এসে তারা চুরির বিষয়টি দেখতে পান।সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানতে পারেন যে, মাছের ব্যবসায়ীদের দোকানের মালিক গোলক রায়, রুহিদাস রায়, হরিলাল রায়, ইন্দ্রজিৎ হালদার সহ মোট পাঁচটি দোকানের গ্রিলের সাটার ভেঙে মাছ বিক্রির দোকানে ঢুকে ক্যাশ বাক্স ভেঙে ফেলে। এরপরেই পাঁচটি দোকান থেকে বেশ কয়েক হাজার টাকা বের করে নিয়ে ওই চোর যুবক সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছে যা সিসিটিভির ফুটেছে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি তাদের। এমন চুরির ঘটনা ওই মাছ বাজারে ব্যবসায়ীদের দোকানে আগে কখনো ঘটনা বলে তারা দাবি করেছেন। দোকান মালিক গোলক রায়, ইন্দ্রজিৎ হালদার, এক মাছ বিক্রির দোকানে ম্যানেজার বিভু সরকারেরা অভিযোগ করে বলেন, পরপর একই রাতে পাঁচটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। টাকা-পয়সা সহ বহু জিনিসপত্র নিয়ে গেছে ওই চোর। ক্যামেরার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাকে চিনতে পাড়া গেছে। দোকানদারদের দাবি, যে ওই পাঁচটি দোকানে চুরি করছে সে ৫নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হালদারপাড়া বাসিন্দা লোকনাথ। যার ছবি সিসিটিভি ফুটেছে ফুটে উঠেছে। আমরা চাই তাকে ধরে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের টাকা পয়সা ফেরত দেক। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন,শহরের মধ্যে কেন এত চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছে।পুলিশের উচিত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া। শনিবার সকালে এমন ঘটনার খবর পেয়ে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ এসে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পুলিশ ওই মৎস্যজীবী ব্যবসায়ীদের দোকানদারদের আশ্বাস দিয়েছেন যে, তারা অবশ্যই এই ঘটনার প্রতিকার করবে।


























