বিদ‍্যালয় ছুট কিশোর-কিশোরীর পাশে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ

0
23

বিদ‍্যালয় ছুট কিশোর-কিশোরীর পাশে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ
শীতল চক্রবর্তী, বালুরঘাট, ২৬ আগস্ট –দীর্ঘদিন বিদ‍্যালয় ছুট থাকা দুই কিশোর-কিশোরীকে নতুন করে পড়াশুনার মূলধারায় ফিরিয়ে আনল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের পার্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা ১৩বছরের বিশ্বনাথ হাঁসদা ও তোকিপুর গ্রামের ১৩ বছরের স্বস্তিকা বেসরা– আর্থিক সংকট ও পারিবারিক সমস্যার কারণে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছিল। বিষয়টি জানতে পারেন জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের অধিকার মিত্র তথা পি.এল.ভি গোলাম রাব্বানী। তাঁর উদ্যোগে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সম্পাদিকা সেক্রেটারি কেয়া বালার নির্দেশে দুই কিশোর-কিশোরীকে মির্জাপুর জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয়।
স্বস্তিকার বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ের সঙ্গে দাদুর বাড়িতে চলে আসে সে। পারিবারিক অশান্তি ও আর্থিক সংকটে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় তার। অন্যদিকে, প্রাথমিক বিদ্যালয় পাশ করার পর অর্থের অভাবে বিশ্বনাথের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। দিনমজুরির উপর নির্ভর করে তিন ভাইয়ের সংসার চালান তার বাবা অমল হাঁসদা।
বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর দিন গোলাম রাব্বানী নিজেই টোটো চালিয়ে স্বস্তিকা, বিশ্বনাথ ও তাঁদের অভিভাবকদের বিদ্যালয়ে নিয়ে যান এবং ভর্তি শেষে আবার বাড়ি পৌঁছে দেন।শুধু ভর্তি নয়, পড়াশোনায় আগ্রহ জাগাতে খাতা-কলমসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রীও দেওয়া হয় জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের তরফে।
বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে স্বস্তিকা ও বিশ্বনাথ দুজনেই অত্যন্ত খুশি।তাঁদের পরিবার জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গোলাম রাব্বানীর প্রতি। গোলাম বাবু জানান,”আগামীতে এমন কাজ করা হবে।” বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন,”আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে তিনি খুশি।ধন্যবাদ জানান সংস্থার পিএলভিকে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here