প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জাল ওষুধের রমরমা কারবার দক্ষিন দিনাজপুরে। ফুলবাড়িতে ড্রাগ কন্ট্রোলারের অভিযানে উদ্ধার ১০ লক্ষ টাকার বে-আইনী ওষুধ।
পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৮ ফেব্রুয়ারী ——– প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে জাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগ ফুলবাড়িতে। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান ড্রাগ কন্ট্রোলারের। উদ্ধার ১০ লক্ষ টাকার বেআইনি ওষুধ। পলাতক দোকান মালিক মিঠু সরকার ও বাপ্পা সরকার। বুধবার রাতে এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল হইচই পরিস্থিতি তৈরি হয় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার ফুলবাড়ি এলাকায়। ঘটনার পরেই সীল করা হয়েছে ওই ওষুধের দোকানটি।
পুলিশ সুত্রের খবর অনুযায়ী, গঙ্গারামপুর থানার ফুলবাড়িতে আমান ডায়গনস্টিক সেন্টার নামে একটি ওষুধের দোকান থেকে বেশ কিছুদিন ধরে জাল ওষুধ বিক্রি চলছিল বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় দু বছর আগে ওষুধের দোকানটির লাইসেন্স বাতিল হয়ে গেলেও নতুন ভাবে কোন নবীকরণই করান নি দোকান মালিক মিঠু সরকার ও বাপ্পা সরকার বলে অভিযোগ। উপরন্তু ওই এলাকাতে অবৈধভাবে আরো একটি ডাক্তারের চেম্বার গড়ে রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছিলেন তারা বলেও অভিযোগ। ওইদিন রাতে যার গোপন খবর পেয়েই পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি ওষুধের দোকানে হানা দেন দক্ষিণ দিনাজপুর ড্রাগ কন্ট্রোলের একটি বিশেষ টিম। যেখান থেকেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার জাল ওষুধ। ঘটনার পরে সিল করে দেওয়া হয়েছে ওষুধের দোকান ও ডাক্তারের চেম্বারটিও। যদিও ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছে ওই ওষুধ ব্যবসায়ী মিঠু সরকার ও বাপ্পা সরকার। তবে এঘটনা শুধুমাত্র ফুলবাড়িতেই নয়, বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর, বুনিয়াদপুর ও তপন সহ জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতেও ছেয়ে গেছে এই জাল ওষুধের কারবার। আর যে কাজেই যুক্ত রয়েছে একাধিক অসাধু ব্যবসায়ী বলেও অভিযোগ। আর যাদের বিরুদ্ধেই এবারে কড়া হাতে নামছে ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তর।
ড্রাগ কন্ট্রোলের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর বিবেক মৈত্র বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে এই অভিযান। প্রায় দশ লক্ষ টাকার জাল ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যারা এই কারবারের সাথে যুক্ত রয়েছে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।