পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সুভাষকে নিয়েই এলাকাবাসীদের সন্দেহ

0
151

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সুভাষকে নিয়েই এলাকাবাসীদের সন্দেহ, পুলিশ রিমাইন্ড পেল অভিযুক্তকে শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ২৯ নভেম্বর,দক্ষিণ দিনাজপুর;
চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সুভাষ বিশ্বাসের ঘটনা এলাকাবাসীদের চোখ যেন কপালে উঠেছে।রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ সবার ঘটনা চোখের সামনে এতদিন পরে তারা বুঝতে পারল কি করে রাজপ্রাসাদ গড়েছে সে। কৃষক পরিবারের ছেলে রাতারাতি এমন ঘটনা নিয়ে শোরগোল।বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার যাদববাটি গ্রামের ওই বাড়ি থেকে ২২ লক্ষাধিক টাকা,ল্যাপটপ , মোবাইল ও কিছু নথি উদ্ধার করেছেন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।শুক্রবার ধৃত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট ধারা দিয়ে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠিয়েছেন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,ধৃত ব্যক্তির নাম সুভাষ বিশ্বাস (৪৫) বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার যাদববাটি গ্রামে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চাকরি দেবার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগে কয়েকদিন আগে গঙ্গারামপুর থানার এক সিভিক ভলেন্টিয়ার নারায়ণ ভট্টাচার্য ও তার স্ত্রী পার্বতী রায়কে গ্রেপ্তার করেন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।ধৃত দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গঙ্গারামপুর যাদববাটি গ্রামের সুভাষ বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গতকাল হানা দেয় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।সুভাষ বিশ্বাসের বাড়ি থেকে প্রায় ২২ লক্ষ্য টাকা ,একটি ল্যাপটপ,তিনটি মোবাইল ফোন ও কিছু নথি উদ্ধার করেন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।নথি গুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষার্থীদের কোনো নথি রয়েছে কি না সেই বিষয় গুলো খতিয়ে দেখছেন পুলিশ। নাম প্রকাশ করতে এলাকার এক যুবক জানিয়েছে,”আমরাও অবাক হয়ে গিয়েছি।পরে পুলিশ সুভাষ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করার পর এত পরিমাণে টাকা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় আমরা হতবাক।” সূত্রে জানা গেছে,”পুলিশের কাছে ইতিমধ্যেই সুভাসের এমন কারবারে দশজনের নাম উঠে এসেছে। বাকিদের খোঁজেও পুলিশ তল্লাশিতে নেমেছে। সূত্রের খবর, বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নাম করেই এই সুভাষ কোটি কোটি টাকা রোজগার করেছে। যাক নৈপক্ষে রয়েছে একাধিক নামিদামি যুবকদের সাথে তার সম্পর্ক। পুলিশ তাদের খোঁজেও তল্লাশিতে নেমেছি।
শুক্রবার ধৃতদের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল জানিয়েছেন,”পুলিশ পুরো ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আরো বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে তাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হবে।” গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী জয়ন্ত মজুমদার বলেন,”তদন্তের স্বার্থে বিচারক পুলিশ রিমাইন্ড দিয়েছে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here