পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে অবৈধভাবে বালির ব্যবসা করে যাচ্ছে বালি মাফিয়ারা

0
38

গঙ্গারামপুরে বালি মাফিয়ারা কার্যত পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে অবৈধভাবে জমা রাখা বালির ব্যবসা করে যাচ্ছে দিনের পর দিন রাতে, অবৈধভাবে জমা রাখা ওই সমস্ত জায়গার মালিকদের বিরুদ্ধে কেন না হচ্ছেনা ব্যবস্থা “পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ”তাহলে কি সর্ষের মধ্যে রয়েছে ভূত প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। যদিও মহকুমা পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন করা হাতে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ১৬ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ দিনাজপুর।পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অবৈধভাবে সম্পূর্ণ রয়ালিটি ছাড়া বালি মাফিয়া দুষ্কৃতিকারীরা পুনর্ভবার মাহুর কিসমত,শিববাড়ি,কেশবপুর ,নারায়নপুর এলাকা থেকে সম্পূর্ণ রয়েলটি ফাঁকি দিয়ে বালি তুলে কখনো সরকারি জায়গায় আবার কখনো শিববাড়ি মাঠপাড়া, মিশনপাড়া , শ্মশানঘাট এলাকার বহু মানুষজনদের জায়গা ভাড়া নিয়ে বালি জমা করার পাশাপাশি রাতের অন্ধকারে সেই বালি তুলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে দিনে রাতে। আর এর ফলেই রাতারাতি সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা তারা রোজগার করছে বলে সুত্রে খবর।ঘটনাটি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে শহরের শিববাড়ি,কেশবপুর,নদীর ওপার নারায়নপুর সহ বিভিন্ন এলাকায়।শুধু বালি তোলাই নয়,বালি মাফিয়াদের সঙ্গে সেই কাজে যোগ দিয়েছে ট্রাক্টর মালিকদের সংগঠনও। তাদের ট্রাক্টরের ট্রলির কোন নম্বর না থাকলেও ওই সমস্ত অবৈধ ট্রাক্টর গাড়ির মালিকেরা অবৈধভাবে জমা করা বিভিন্ন জায়গার বালি তুলে নিয়ে গিয়ে দিনে রাত্রিতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ শহরবাসীর।কোথা থেকে পাচ্ছে ওই সমস্ত বালি মাফিয়া ও অবৈধভাবে চলা ট্রাক্টর মালিকেরা এমন কাজ করতে তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।যে সমস্ত জায়গায় অবৈধভাবে বালি মাফিয়ারা বালি মজুদ করেছে ওই সমস্ত জায়গার মালিকেরা রয়ালিটি ছাড়া কি করে ওই সমস্ত বালিগুলি জড় করে রাখছে তারা তাদের জায়গায় তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সকলেই।কেন জেলা পুলিশ প্রশাসন , মহকুমা পুলিশ প্রশাসন ও গঙ্গারামপুর থানা থেকে শুরু ওই সমস্ত অবৈধভাবে জমা রাখা বালি জায়গার মালিকদের বিরুদ্ধে ভারতিও ন্যায় সংবিধানের ধারা অনুযায়ী কেন আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা পুলিশ প্রশাসন নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন তুলেছেন সকলেই। অনেকেই প্রশ্ন তুলে অভিযোগ করেছেন,তাহলে কি বালি মাফিয়া ও ট্রাক্টর মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের কিছু পাচ্ছে বলেই পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না?সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে জেলার সমস্ত জায়গায়।সর্ষের মধ্যেই রয়েছে কি ভূত,সেই কারণেই পুলিশকেউ কার্যত চ্যালেঞ্জ করে বালি মাফিয়া ও ট্রাক্টর মালিকেরা তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।যে কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছে অবৈধভাবে চলা ট্রাক্টর মালিকেরাও। সরকারি কোনরকম অনুমোদন ছাড়াই অভিযোগ, গঙ্গারামপুরের কেশবপুর মহুরকিসমত এলাকার বাসিন্দা নাসেদ,হালিমদের মত বালি মাফিয়ারাবহু দিন ধরেই তাদের ব্যবসা চালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ নদীঘাট গুলোর সরকারিভাবে টেন্ডার পাওয়া মালিক তাপস বিশ্বাসের। ইতিমধ্যেই নাসেদ,হালিম সহ বেশ কয়েকজন বালি মাফিয়াদের নামে তাপস বিশ্বাস প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ তাপস বিশ্বাসের।তাপসের জিঅভিযোগ,এইভাবে বালি তোলার ফলে সরকারের যেমন কয়েক লক্ষাধিক টাকা রাজস্ব জমা হয়নি, তেমনি বালি তোলার ফলে রাস্তাঘাট দিয়ে সেই বালি নিয়ে যাবার সময় রাস্তা দিয়ে।বালি রাস্তায় পরে মানুষের জীবনের বিপদ বেড়েছে দিনের পর দিন।এইভাবে চলতে থাকার পর স্কুল এবং সাধারণ মানুষজনরা প্রতিনিয়ত পরেছে দুর্ঘটনার কবলে।এমনকি কয়েকদিন আগে গঙ্গারামপুরের ১৫নম্বর ওয়ার্ডের শিববাড়িতে শ্মশানঘাট,কেশবপুর, মিশন পড়াতে অবৈধভাবে জমা করা ওই সমস্ত বালির রাখা মালিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কেন এখনও ব্যবস্থা নেয়নি তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। শিববাড়িতে অবৈধভাবে চলা ওই ট্রাক্টরের দুর্ঘটনায় চিত্তরঞ্জন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের নার্সারি এক শিশুর গুরুতর আহত হয়েছিল।যে ঘটনা বালি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে নাড়া দিয়েছিল শিক্ষক মহল ও ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবারের মধ্যে। টেন্ডার পাওয়া বালিঘাটের মালিক তাপস বিশ্বাসের অভিযোগ,”পুরো ঘটনা জানিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে আশা করি তারাই ব্যবস্থা নেবেন।” বালি যে অবৈধভাবে কেটেছে এবং তা অবৈধভাবে জমা রেখেছে বিভিন্ন জায়গায় তা মানছেন বালি মাফিয়াদের নেতা নাসেদ। নাসেদ বলেন,”অনুমোদন ছাড়াই বালি তোলা হয়েছে।এখন আর তলা হয়না।” গঙ্গারামপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক শুভতোষ সরকার বলেন,”আইনগতভাবে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।খুব তাড়াতাড়ি বড় অভিযানেও নামা হবে।” এখন দেখার এটাই যে শেষ হাসি কে হাসবে বালি মাফিয়া নাকি পুলিশ প্রশাসন সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সকলেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here