জলপাইগুড়ি:-
গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু । পরকীয়ার জেরে স্বামী’ই স্ত্রীকে খুন করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের। কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের। জলপাইগুড়ির খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নামাজিপাড়ার ঘটনা।
মৃত গৃহবধূর নাম ঝর্ণা খাতুন। ১৯বছর আগে রাজগঞ্জ ব্লকের মাহানপাড়ার উসমান আলির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, গৃহবধূর স্বামী উসমান এক মহিলার সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। সেই ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ করায় স্ত্রী ঝর্ণাকে প্রায়ই শারীরিক ভাবে নিগ্রহ করতেন স্বামী, বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার রাতেও স্ত্রীকে উসমান ব্যাপক মারধোর করেন বলে অভিযোগ। বুধবার সকালে ঘর থেকেই স্ত্রী ঝর্ণার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকেরা সেখান যায়। তারা জানিয়েছেন, গৃহবধূকে মাটিতে শোয়ানো ছিলো, গলায় এবং দেহে একাধিক আঘাতের চিনহ ছিলো। কোতোয়ালি থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। দেহ ময়নাতদন্তের পর এদিনই পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অভিযুক্ত স্বামী ঘটনার পর থেকেই পলাতক। এদিকে এদিন ময়নাতদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত স্বামীর বন্ধু এবং পরিবারের কয়েকজনকে দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মৃত গৃহবধূর বাড়ির লোকেরা। দুপক্ষের মধ্যে বচসার জেরে উত্তেজনা তৈরি হয়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এরপর এদিন বিকেলে মৃত গৃহবধূর অভিযুক্ত স্বামী, শ্বশুর,শাশুড়ী সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গৃহবধূর বাবা তফিরুল মহম্মদ। তিনি জানিয়েছেন, অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের জেরে তার মেয়ের ওপর নিয়মিত অত্যাচার করত জামাই। জামাই মেয়েকে অত্যাচার করে খুন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মেয়ের মৃত্যুর সুবিচার চেয়ে অভিযুক্ত স্বামীর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি অভিযুক্তের শাস্তির দাবি সরব হয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যও।
ভিস বাইট👇
























