দু কিলোমিটার রাস্তা ঠিকাদার সংস্থা নিম্নমানের জিনিস দিয়ে কাজ করায় অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা কাজ বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলনে নামল

0
157

রাজ্যের মন্ত্রীর বিধানসভা এলাকার হরিরামপুর ব্লকের সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দু কিলোমিটার রাস্তা ঠিকাদার সংস্থা নিম্নমানের জিনিস দিয়ে কাজ করায় অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা কাজ বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলনে নামল,মন্ত্রী ও বিডিও খোঁজ নেবার আশ্বাস দিলেন।অভিযোগ অস্বীকার ঠিকাদারের,তদন্তে প্রশাসন

 

শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ৮মে দক্ষিণ দিনাজপুর।রাজ্যের মন্ত্রীর বিধানসভা এলাকায় নিম্নমানের জিনিস দিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের ডি কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করার অভিযোগ উঠল ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কাজ বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলনের নামলো এলাকার কয়েকশো গ্রামবাসীরা।ঘটনাটি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর ব্লকের সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ফুটবল মাঠ ভায়া বিমলপাড়া কাঞ্চন পুকুর থেকে খুনিয়াপুকুর পর্যন্ত ঢালাই দুই কিলোমিটার রাস্তার।এলাকার গ্রামবাসীদের অভিযোগ” কোনরকম নিয়ম না মেনে নিম্নমানের জিনিস দিয়ে রাস্তা তৈরি করছে ঠিকাদার, সেই কারনে কাজ আটকে দেওয়া হয়েছে।যদিও রাজ্যের মন্ত্রী ও হরিরামপুর ব্লকের বিডিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া রাস্তা দিয়েছেন।ঠিকাদার অবশ্য দাবি করেছেন,সঠিক নিয়ম মেনে কাজ করা হলেও তার ম্যানেজার বলছে ৪-৫ ফিট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।হরিরামপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের উদ্যোগে হরিরামপুর ব্লকের সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ফুটবল মাঠ ভায়া বিমলপাড়া কাঞ্চন পুকুর থেকে কুনিয়াপুকুর পর্যন্ত ঢালাই দুই কিলোমিটার রাস্তার কাজের উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেন। মন্ত্রীর কাছে এই রাস্তাটি তৈরি করার জন্য উক্ত এলাকার বাসিন্দারা বহুদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলেন।মন্ত্রী বিপ্লববাবু উদ্যোগ নিয়ে টাকা বরাদ্দ করে কয়েকদিন আগে এই রাস্তার কাজের শিলান্যাস করেন।কাজও শুরু হয়,অভিযোগ অভিজিৎ বসাক নামে ঠিকাদার কয়েক কোটি টাকার কাজের এই প্রকল্পের কাজটি পান।তিনি নিজে কাজটি না করে তার ম্যানেজার শংকর ঘোষের মাধ্যমে আসতে শুরু করেন। উক্ত এলাকার গ্রামবাসী মাইনদ্দিন আহমেদ,রহিদুল ইসলাম,মাহবুব আলম,মহম্মদ ওয়াহিদেরা অভিযোগ করে বলেন,”কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না রাস্তা তৈরি করার।লাল বালির পরিবর্তে ধুসবালি দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।যতটা ঢালাই দেওয়ার কথা তাও দেওয়া হচ্ছে না,সেই কারণেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।আমরা চাই ঠিকাদার সংস্থা নিয়ম মেনে কাজ করুক।” হরিরামপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ও হরিরামপুর ব্লকের বিডিও অত্রি চক্রবর্তী জানিয়েছেন,”পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” প্রকল্পের কাজে বরাদ্দ পাওয়া ঠিকাদার অভিজিৎ বসাক “সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে বলে দাবি করেছেন।” যদিও সেই প্রকল্পের কাজের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার শঙ্কর ঘোষ বলেন “৩/৪ ফিট ঢালাই দেওয়া হচ্ছে। নদীর বালি ব্যবহার করা হচ্ছে সেটাই কাজের নিয়মে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।” গ্রামবাসীদের একটাই দাবি, সঠিক নিয়ম মেনে ই প্রকল্পের কাজ করুক ঠিকাদার না হলে এই প্রকল্পের কাজ আর এগোতে দেওয়া হবে না।প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে বড়সড়ো আন্দোলনে নামা হবে আগামী দিনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here