উত্তর দিনাজপুরের জেলার করণদিঘী ব্লকের টুঙ্গিদিঘী মিরদিঘী গ্রাম আজ যেন এক উৎসবের নগরী। গ্রামের লেবুর মিলের মাঠে পা রাখলেই বোঝা যাচ্ছে, রাজবংশী সমাজের প্রাণের উৎসব ‘দশসরী বোগিয়া ভাইওয়া’ উৎসব ঘিরে মানুষের মনে কতটা আনন্দ। মাঠের চারদিকে সাজ সাজ রব, আর বাতাসে ভাসছে সংস্কৃতির টান। এই অনুষ্ঠান দুদিন ব্যাপী চলবে এবং নবম তম হয়েছে।এই আনন্দের দিনে গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে সামিল হয়েছিলেন এলাকার বিশিষ্টজনেরাও। রায়গঞ্জ লোকসভার সাংসদ কার্তিক পাল যখন অনুষ্ঠানে পৌঁছালেন, তখন চারিদিকে এক অন্যরকম উদ্দীপনা। তাঁর সাথে ছিলেন ডালখোলার নেতা সুভাষ গোস্বামী এবং সৌমেন মহন্ত।
ঠিক সেই সময়েই জনতা সেবক হিসেবে পরিচিত এস কে শামসুল হক এবং এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক মনোদেব সিনার উপস্থিতি এবং দোসরীর উৎসবের সদস্য রমেশ সিংহ এবং আনন্দ সিংহ আরো লেবু সিংহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানটিকে আরও পূর্ণতা দান করে। একে একে অতিথিরা মঞ্চে আসন গ্রহণ করলেন এবং তাঁদের সম্মানে মেতে উঠল উৎসব কমিটির সদস্যরা। মঞ্চে দাঁড়িয়ে সাংসদ কার্তিক পাল যখন রাজবংশী সমাজের ঐতিহ্য আর কৃষ্টির কথা বলছিলেন, তখন মাঠের প্রতিটি মানুষ গর্ব অনুভব করছিল। তিনি ঠিকই বলেছিলেন, করণদিঘীর এই উৎসব বাংলার লোকসংস্কৃতির এক জীবন্ত ছবি। নাচের ছন্দ, ঢাকের আওয়াজ আর মানুষের হাসিমুখের ভিড়ে জনতা সেবক শামসুল হক এবং প্রাক্তন বিধায়ক মনোদেব সিনহা গ্রামবাসীদের সাথে মিশে গিয়ে উৎসবের আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিলেন। সারাদিনের এই আয়োজন যেন শুধু একটি উৎসব নয়, বরং করণদিঘীবাসীর হৃদয়ে আজীবনের জন্য এক সুন্দর স্মৃতি হয়ে রইল।


























