টুকলিতে বাধা, ক্ষোভে ভাঙচুর! মাধ্যমিকের শেষদিনে বালুরঘাটের দুই স্কুলে তাণ্ডব, লজ্জার ছবি শিক্ষাঙ্গনে

0
140

বালুরঘাট, ১১ ফেব্রুয়ারী —- মাধ্যমিকের শেষ দিনে স্বস্তির বদলে রইল অস্বস্তির দাগ। জীবনবিজ্ঞান পরীক্ষা শেষ হতেই বালুরঘাটের দুই পরীক্ষাকেন্দ্রে আচমকা তাণ্ডব—ভাঙচুর হল ফ্যান, ইলেকট্রিক বোর্ড, জলের ট্যাপ। নকলের পথে কড়া নজরদারি নেমে আসতেই ক্ষোভ উগরে দেয় কিছু পরীক্ষার্থী—এমনই অভিযোগ স্কুল কর্তৃপক্ষের।
বুধবারের এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় আশুতোষ বালিকা বিদ্যাপীঠ ও নামাবঙ্গী হাইস্কুলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পরীক্ষা চলাকালীন টুকলির একাধিক চেষ্টাকে ভেস্তে দেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কেন্দ্রের বাথরুম ও বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় নকলের কাগজ। পরীক্ষার পরেই আচমকা উত্তেজনা চরমে ওঠে।
আশুতোষ বালিকা বিদ্যাপীঠে এদিন তারণচন্দ্র হাইস্কুল ও বিএম হাইস্কুলের প্রায় ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর সিট পড়েছিল। অভিযোগ, পরীক্ষা শেষ হতেই একাধিক ফ্যানের পাখা ও ইলেকট্রিক বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়। অন্যদিকে নামাবঙ্গী হাইস্কুলে রিস্তারা, মালঞ্চা, আশুতোষ বালিকা বিদ্যাপীঠ ও জিএলপি বিদ্যাচক্র—মোট চারটি স্কুলের ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। সেখানেও জলের ট্যাপ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
নামাবঙ্গী হাইস্কুলের টিচার-ইন-চার্জ রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, “পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি ছিল। কিছু ছাত্র ট্যাপ ভেঙেছে। বিষয়টি জেলা শিক্ষা দপ্তরকে জানানো হয়েছে। আশুতোষ বালিকা বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষিকা পম্পা দাসের কথায়, “সরকারি স্কুলে পরীক্ষা দিতে এসে এই ধরনের তাণ্ডব মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি স্কুল কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যদিও এনিয়ে কোন অভিযোগ জানানো হয়নি।

পরীক্ষার শেষ দিনে শিক্ষাঙ্গনে এমন বিক্ষোভে প্রশ্ন উঠছে শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ নিয়েই। নকল রুখতে কড়াকড়ি—আর তার জেরেই কি এই বিস্ফোরণ? তদন্ত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের দিকেই এখন তাকিয়ে দুই স্কুল কর্তৃপক্ষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here