গঙ্গারামপুর থানাতে কর্মরত এক সিভিক ভলেন্টিয়ার,সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি ও তার স্ত্রী বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন জায়গায় চাকরি দেবার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার ঘটনায় অবশেষে পুলিশের কাছে আটক হলো ওই সিভিক সহ তার স্ত্রী।
শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ২৫ নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর।এবার পুলিশের ঘরের সিধেল চোর।অভিযোগ ,”দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানাতে সিভিক ভলেন্টিয়ার পদে কর্মরত রয়েছেন এক যুবক।সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার ও তার স্ত্রী অনেক জনের কাছেই লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার প্রতারিত হয়ে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে করেন গঙ্গারামপুর থানায় কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার নারায়ণ ভট্টাচার্য ও তার স্ত্রী পার্বতীর নামে বলে সূত্রে খবর।পুলিশ ওই দুজনকে মঙ্গলবার রাতে আটক করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে।খোদ সর্ষের মধ্যেই কি রয়েছে তাহলে ভূত,প্রশ্ন উঠেছে সর্বোত্তই?ঘটনাটি কড়া ভাষায় নিন্দা করেছেন অনেকেই।যদিও পুলিশ বলছে,”পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” জানা গেছে,গঙ্গারামপুর পুরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের ইন্দ্র নারায়ণপুর কলোনী এলাকা বাসিন্দা সিভিক ভলেন্টিয়ার নারায়ণ ভট্টাচার্য চার মাস আগে গঙ্গারামপুর থানায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের কাজে যোগদান করেন।তার আগে তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীণ ইন্দ্রজিৎ সরকারের গঙ্গারামপুরের স্টেশন রোডের অফিসে সিভিক ভলেন্টিয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন বলে সূত্রে জানা গেছে।অভিযোগ উঠেছে,”গঙ্গারামপুর থানায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের কাজ করায় বিভিন্ন জায়গায় আনাসায়ে নারায়ণ ভট্টাচার্য ও তার স্ত্রী পার্বতী তার হয়ে বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছেই বহু টাকা তিনি তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে সূত্রে খবর।সাম্প্রতি চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তোলার পরেও কোথাও একটি চাকরি তারা দুজনে দিতে পারেননি বলে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।এমনকি টাকা ফেরত চাইতে গেলেও ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার গঙ্গারামপুর পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের ইন্দ্রনারায়ণপুর কলোনী এলাকার বাসিন্দা নারায়ণ ভট্টাচার্য ওরফে (নারু)ও তার স্ত্রী পার্বতী তাদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন বলে অভিযোগ।পরে গঙ্গারামপুর থানার বাসিন্দা আর কোন উপায় না দেখে গঙ্গারামপুর থানায় ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার নারায়ণ ভট্টাচার্য ও তার স্ত্রী পার্বতীর নামে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে গঙ্গারামপুর থানায় কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার নারায়ণ ভট্টাচার্য ও তার স্ত্রী পার্বতীকে আটক করে পুরো ঘটনার নেমে ও দুজনকে আটক করে। সূত্রে জানা গেছে,”বহুদিন ধরেই এই সিভিক ভলেন্টিয়ার আর তার স্ত্রী মোবাইলে ফোন করেও অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা তুলছিল বলে পুলিশ আধিকারিকদের কাছে খবর ছিল।তাদের ফোন নম্বর গুলি পুলিশেই তদন্তে রাখতেই ঘটনার সত্যতা সামনে আসে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।এর পরেই পুলিশ ওই দুজনকে আটক করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বলে জানা গিয়েছে। এবিষয়ে পুলিশ আধিকারিকেরা বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে চায়নি।শুধু তারা জানিয়েছেন বিষয়টি তদন্ত করে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”























