বালুরঘাট, ১১ মার্চ —- শহরের মাঝেই দিনের আলোয় চলছে ডোবা ভরাট, অথচ নীরব জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন—এই অভিযোগে উত্তাল বালুরঘাটের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের শিমুলতলা এলাকা। বাসিন্দাদের দাবি, তাঁদের বাধা উপেক্ষা করেই বেপরোয়া ভাবে বহু পুরনো একটি ডোবা মাটি ফেলে ভরাট করা হচ্ছে। যে ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকভৃগুর শিমুলতলা এলাকার ওই ডোবাটি বহু বছরের পুরনো। দীর্ঘদিন ধরে ওই জলাশয়ের জল আশপাশের বাসিন্দাদের নানান কাজে ব্যবহার হতো। পাশাপাশি এলাকার বেশ কিছু বাড়ির নিকাশির জলও সেখানে জমা হত। তবে সম্প্রতি জমিটির মালিকানায় পরিবর্তন ঘটে। তার পর থেকেই কয়েক দিন ধরে লাগাতার মাটি ফেলে ডোবাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ।
এলাকার বাসিন্দা ভারতী দাস ও সুনীতি দাসদের বক্তব্য, “এই ডোবাটি বহু বছর ধরে এলাকার মানুষের ভরসা। এখানকার জল নানা কাজে লাগে। এখন ডোবা ভরাট হয়ে যাওয়ায় এলাকায় পানীয় জলের সমস্যাও তৈরি হচ্ছে। প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করুক।
অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনোজ সরকার দাবি করেছেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাঁর কথায়, “আমার কাছে কেউ কোনও লিখিত অভিযোগ করেনি। বিষয়টি আমার জানা নেই।
যদিও এ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান সুরজিৎ সাহা। তিনি বলেন, “শহরের মধ্যে কোনও ভাবেই ডোবা বা জলাশয় ভরাট করা যাবে না। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। দ্রুত এলাকায় গিয়ে জমির কাগজপত্র খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে প্রশ্ন উঠছে—দিনের আলোয় শহরের মধ্যে ডোবা ভরাট চললেও এতদিন তা কি করে অগোচরেই রইল প্রশাসনের? উত্তর খুঁজছেন শহরবাসী।























