গঙ্গারামপুরে সুভাষ পল্লীতে অবস্থিত” সুস্পর্শ” মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন

0
58

সমাজসেবার মধ্য দিয়ে গঙ্গারামপুরে সুভাষ পল্লীতে অবস্থিত” সুস্পর্শ” মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে
শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ১৭ই জানুয়ারি, দক্ষিণ দিনাজপুর।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের সুভাষপল্লীতে অবস্থিত “সুস্পর্শ “মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল” তাদের পঞ্চম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একাধিক সমাজসেবামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্‌যাপন করল।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দুঃস্থ মানুষজনদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরিষেবা ও বস্ত্রদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বার্তা দেওয়া হয় তারা স্বাস্থ্য পরিষেবায় তারা মানুষজনদের পাশে যেভাবে আগামীতে ছিল সারা বছরই থাকবে।
জানা গিয়েছে ২০২১ সালে গঙ্গারামপুর শহরের সুভাষপল্লীতে যাত্রা শুরু করে “সুস্পর্শ মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালটি”।অল্প সময়ের মধ্যেই এই হাসপাতালটি গৌড়বঙ্গের মালদা, উত্তর দিনাজপুর সহ আশপাশের জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা, আধুনিক পরিকাঠামো এবং স্বল্প খরচে মানসম্মত পরিষেবার জন্য হাসপাতালটি বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। পাশাপাশি সরকারি ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করেও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে এই প্রতিষ্ঠান।
শনিবার গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কেক কেটে পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন করা হয়। একই সঙ্গে দুঃস্থ মানুষজনদের জন্য বিনামূল্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা হয় এবং বস্ত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অন্যতম চিকিৎসক ও কর্মকর্তা ডা. প্রণব সাহা, ডা. রাজীব পান্ডে, ডা. বিমান সরকার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের সদস্য নিরেশ পাল, সুশোভন দাস ওরফে কুসুম, রাহুল আগরওয়াল, নারায়ণ আগরতলা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা।
এবিষয়ে চিকিৎসক ডা.রাজীব পান্ডে বলেন,“আমাদের প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সুস্পর্শ মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবে।”
হাসপাতালের সদস্য তথা চিকিৎসক ডা. প্রণব সাহা বলেন,“শুরু থেকেই আমরা মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং আগামীতেও সেই ধারা বজায় থাকবে। পঞ্চম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।”
সব মিলিয়ে আবারও প্রমাণ হলো, এই ধরনের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান আগামী দিনে সাধারণ মানুষের কাছে আরও ভরসাযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, এমনটাই মত এলাকাবাসীর।