গঙ্গারামপুরে দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে দ্বিতীয় কিস্তির কাগজপত্র বিতরণ করা হলো,৭৭টি পরিবারের মুখে হাসি, প্রধান লিপিকা সরকারের উদ্যোগে প্রশংসার জোয়ার

0
27


শীতল চক্রবর্তী বালুরঘাট ২৮ জানুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের ৫ নম্বর দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বুধবার একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ) আবাসন প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেবার জন্য কাগজপত্র তুলে দেওয়া হলো ৭৭ জন উপভোক্তার হাতে। প্রতিজন উপভোক্তা ৬০ হাজার টাকা করে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাবেন এই প্রকল্পের মাধ্যমে।
দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অধিকাংশ মানুষ দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক কিংবা পরিযায়ী শ্রমিক।বহু পরিবার কাঁচা বাড়িতে বসবাস করতেন, মাথার উপর পাকা ছাদের স্বপ্ন ছিল অধরাই। এমন অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প “বাংলার বাড়ি” এই এলাকার গরিব মানুষের কাছে আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।মাত্র ৮টি গ্রাম সংসদ নিয়ে গঠিত দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ৮২৩১জন মানুষের বসবাস।গরিব মানুষের সংখ্যা এখানে নেহাতই কম নয়।সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লিপিকা সরকার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উন্নয়নমূলক কাজে বিশেষ জোর দিয়েছেন সকলকে সঙ্গে নিয়ে।প্রধান লিপিকা সরকারের উদ্যোগে ও এলাকার বিশিষ্টজনদের সহযোগিতায় এই প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির কাগজপত্র বিতরণ করা হয় বুধবার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লিপিকা সরকার, উপপ্রধান সুকুমার দাস, পঞ্চায়েত সেক্রেটারি সপ্তর্ষি রায়, নির্মাণ সহায়ক বিপিন চন্দ্র রায়, প্রাক্তন প্রধান তথা সমাজসেবী কার্তিক সরকার, সমাজসেবী আনন্দ দাস, প্রশান্ত দাস সহ আরও অনেকেই।
প্রধান লিপিকা সরকার বলেন,“মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত।গ্রাম পঞ্চায়েতস্তরে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের কাজ আগামী দিনেও চালিয়ে যাব।”
পঞ্চায়েত সেক্রেটারি সপ্তর্ষি রায় জানান,“মুখ্যমন্ত্রী চান, গ্রামীণ এলাকার গরিব মানুষজন যেন পাকা বাড়ির সুবিধা পান। আজ থেকেই উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলেন।”
প্রাক্তন প্রধান কার্তিক সরকার ও সমাজসেবী প্রশান্ত দাসেরা বলেন,“সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে প্রকৃত উপভোক্তারা পান,সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
ঘরের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পেয়ে আপ্লুতউপভোক্তারাও। দুইজন উপভোক্তা বলেন,“পাকা বাড়ি পাওয়ায় আমাদের অনেক কষ্ট দূর হলো।মুখ্যমন্ত্রী ও পঞ্চায়েত প্রধানকে ধন্যবাদ জানাই।”
মোটের উপর,গঙ্গারামপুর ব্লকের ৫নম্বর দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতে বাংলার বাড়ি প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধান লিপিকা সরকারের সক্রিয় ভূমিকা ও মানবিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই প্রকল্প গরিব মানুষের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে—একথা বলাই যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here