নিজস্ব প্রতিনিধি, গঙ্গারামপুর, ২৩ মার্চ, দক্ষিণ দিনাজপুর :
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গৌতম দাস সোমবার তপন ব্লকের আজমাতপুর অঞ্চলে পুজো দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের ভোট প্রচার শুরু করলেন। এদিন বেলা প্রায় ১২টা নাগাদ তিনি আজমাতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রাম প্রসাদ রায়ের বাড়িতে পৌঁছে প্রথমে কালী মন্দিরে নিয়ম মেনে পুজো দেন।
পুজো পর্ব শেষে গৌতম দাস দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় প্রচারে নামেন। মিছিলটি আজমাতপুর অঞ্চলের বজরাপুকুর, নয়াবাজার ও হাটখোলা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিক্রমা করে। মিছিল ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। রাস্তায় নেমে বহু সাধারণ মানুষ প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান, অনেকে আবার সরাসরি কথা বলে নিজেদের সমস্যার কথাও তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন পর এভাবে সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করায় প্রচারে আলাদা মাত্রা পেয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর কর্মসূচি। বিশেষ করে যুব সমাজ ও মহিলা কর্মীদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো ছিল, যা আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
প্রচার কর্মসূচির পাশাপাশি দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কর্মীদের সঙ্গে একটি বৈঠকেও অংশ নেন গৌতম দাস। সেখানে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বুথভিত্তিক সংগঠনকে আরও সক্রিয় করা, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়।
এদিনের কর্মসূচিতে গৌতম দাসের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তপন ব্লক (গঙ্গারামপুর বিধানসভা) তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সমীর রাহা, আজমাতপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রাম প্রসাদ রায় সহ এলাকার অন্যান্য নেতৃত্বরা।
এবিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস বলেন, “আজমাতপুর থেকে প্রচার শুরু করে আমরা সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাদের শক্তি। রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে সামনে রেখে আমরা ঘরে ঘরে পৌঁছব এবং মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করব।”
এবিষয়ে আজমাতপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রাম প্রসাদ রায় বলেন, “গৌতম দাসের প্রচারে যে জনসমাগম ও উৎসাহ দেখা গেল, তাতে স্পষ্ট মানুষ তাঁর পাশে রয়েছেন। এই প্রচার আগামী দিনে ভোটের ফলাফলেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আমরা আশাবাদী।”
সামগ্রিকভাবে, প্রচারের প্রথম দিনেই জনসমর্থনের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাসের প্রচারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।























