এস আই আরের হেয়ারিং এ এসে অজ্ঞান হয়ে পড়ল এক পরিযায়ী শ্রমিক, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পাশে এসে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি

0
62

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের তিন নম্বর এলাহাবাদ অঞ্চলের অন্তর্গত যোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা আজিজার রহমান। জহরপুর এফ পি স্কুল ১৪৭ নং বুথে ভোট দেন তাদের পুরো পরিবার। আজিজার রহমানের দুই ভাই দুই বোন রয়েছে। এস আই আর এর ফ্রম ফিলাপ করার পর দেখা যাচ্ছে তাদের ছয় ভাই বোন রয়েছে বলে আবারো নোটিশ করে তাদের বুনিয়াদপুর বালিকা বিদ্যালয় ডাকা হয়েছে। আজিজার রহমান পেশায় তিনি ব্যাঙ্গালোরে গ্রিল ওয়েলিং এর কাজের সঙ্গে যুক্ত। এস আই আর এর ভুল সংশোধন করবার জন্য ব্যাঙ্গালোর থেকে ট্রেনের জেনারেল বগিতেই পাড়ি দেন বাড়ির উদ্দেশ্যে। সোমবার বংশীহারী বালিকা বিদ্যালয়ে ভুল সংশোধনের লাইনে দাঁড়িয়ে প্রচন্ড টেনশন এর কারণে অজ্ঞান হয়ে পড়েন আজিজার রহমান বলে পরিবারের অভিযোগ। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে আসা হয় রশিদপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর জানিয়েছেন টেনশনের কারণে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছেন। সেই ঘটনার খবর পেতেই হাসপাতালে ছুটে আসেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল ও বংশীহারী ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি সামাউন কবির সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। এসআই এর নিয়ে নির্বাচন কমিশন সাধারণ মানুষকে এমন ভাবে হয়রানের শিকার করাচ্ছেন যা মেনে নেওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি। একইভাবে এলাহাবাদ অঞ্চলের শিহল এলাকার এক অন্ধ ছেলে রজত ঘোষকে (২৩) এস আই আর এর সংশোধনের উদ্দেশ্যে ডাকা হয়েছে। এছাড়াও এলাহাবাদ অঞ্চলের ডিটইল শাহানন্দ গ্রামের বিজেপি মেম্বারের বোন ফুল সরেন (২৮) 15 দিনের সদ্য বাচাকে নিয়ে এস আই আর এর ভুল সংশোধন করবার জন্য বংশীহারী বালিকা বিদ্যালয় এসেছেন। এদের এরকম অবস্থা দেখে পাশে দাঁড়িয়েছেন বংশীহারী ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পার্থ প্রতিম মজুমদার ও বংশীহারী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গণেশ প্রসাদ। এস আই আর এর ভুল সংশোধনে এরকম একাধিক নজির লক্ষ্য করা যাচ্ছে যা মেনে নেওয়া যায় না।

  এই বিষয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের দাদা আব্দুল জব্বার জানিয়েছেন আমরা ৪ ভাই বোন রয়েছে, কিন্তু আমাদের করে দেওয়া হয়েছে ৬ ভাই বোন। সেই কারণে আমার দাদা ব্যাঙ্গালোর থেকে ট্রেনে জেনারেল বগিতে করে বাড়ি এসেছে। সোমবার স্কুলে এস আই আর এর লাইনে দাঁড়িয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে দাদা। আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সহ একাধিক নেতা ও কর্মীরা, আমরা তাতে ভীষণ খুশি হয়েছি।

এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সাধারণ মানুষকে বিনা কারণে হয়রানি করাচ্ছেন। আমরা যাদের ছোট থেকে দেখে এসেছি তাদের কেউ বারবার নোটিশ করে হেয়ারিং এ ডাকা হচ্ছে। আজকে এক পরিজায়ী শ্রমিক প্রচন্ড টেনশন মাথা ঘুরে পড়ে যায়। তাকে আমরা হাসপাতালে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হচ্ছে। এইভাবে আর কত মানুষের সমস্যা করবেন এই নির্বাচন কমিশন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here