এক কোটি টাকা ব্যয়ে নতুনভাবে সেজে উঠছে বালুরঘাটের প্রাচীন মটরকালী মন্দির। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হল কাজের শুভ সূচনা
পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ১ ডিসেম্বর ———- বালুরঘাটের প্রাচীন মটরকালি মন্দির কে ঢেলে সাজানো উদ্যোগ। শুক্রবার একগুচ্ছ জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ওই কালী মন্দিরের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ কুমার দাস, জেল সুপার নবীন কুজুর, বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপ সরকার সহ অনান্যরা। মূলত ভগ্নদশাপ্রাপ্ত ওই কালী মন্দিরটিকে নতুন ভাবে তৈরি করতে ১১ জনের একটি ট্রাস্ট কমিটিও গঠন করা হয়েছে এদিন।
বালুরঘাট শহরের প্রাচীন ইতিহাস ঘাটতে গেলে অন্যতম স্থান হিসেবে উঠে আসে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মটরকালী মন্দিরটি। যা এক সময় হাসপাতালের মর্গ হিসাবেই চিহ্নিত ছিল। ১৯৬৯ সালে হাসপাতাল অন্যত্র স্থানান্তরিত হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায় মর্গটি। যারপরেই সেই ফাকা জায়গায় কালীপুজোর সূচনা করেন কুমারগঞ্জের সিংহ পরিবার। প্রায় আড়াই শতকের উপর অবস্থিত এই কালীমন্দিরের জায়গাটি সেই সময় দান করেছিল কুঠি কাছারি। যে সময় থেকে আজও চালু রয়েছে কালীপুজো। সময়ের সাথে সাথে অনান্য মন্দিরের উন্নতি হলেও তেমনভাবে উন্নয়ন হয়নি, মোটর কালি মন্দিরের। ভগ্নদশা প্রাপ্ত এই মন্দিরটি বর্তমানে সংস্কারের উদ্যোগ নেন বাস মালিক সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন ও স্থানীয় বেশ কিছু দোকানদাররা। যাদের উদ্যোগেই এদিন মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভাবে সেজে উঠবে মোটর কালি মন্দিরটি। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই মন্দিরটি ভক্তদের কাছে ভিন্নমাত্রা জোগাবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
মানস চৌধুরী ও নারায়ন পাল নামে দুই উদ্যোক্তা বলেন, ১১ জনের ট্রাস্ট গঠন করে নতুনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে এই মন্দিরটি। প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে সেজে উঠবে নবনির্মিত মোটর কালী মন্দির।
বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, শহরের প্রাচীন মন্দিরটিকে সংস্কারের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা যথেষ্টই প্রশংসনীয়।























