আলিপুরদুয়ার। গ্রামে পঞ্চায়েতের প্রধানের দায়িত্ব সামলে অভিনয় জগতে পা রাখলেন কমল পাখরিন। জয়গাঁ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তিনি।
কমল পাখরিনকে গ্রাম পঞ্চায়েত দফতরে দেখে অভ্যস্ত গ্রামবাসীরা।এবারে তাকে দেখা যাবে বড় পর্দাতেও।দিনভর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা।পাশাপাশি গ্রামবাসীদের সমস্যা শোনেন তিনি।দলীয় মিটিং,মিছিল সবকিছুতেই ছুটতে দেখা যায় তাকে।এত কিছু সামলেও নিজের মনের সুপ্ত বাসনাকে যত্ন করেছেন তিনি।অভিনয়ের শখ তার ছোট থেকেই।এবারে অভিনেতা হিসেবে তার অভিষেক হতে চলেছে।নেপালি চলচ্চিত্র রাঙ্কিনি বাউ কো ঝাড়কিনী ছোড়া-তে অভিনয় করছেন তিনি।নেপালের চলচ্চিত্র পরিচালক জেৎসুন মোক্তান এই ছবিটি পরিচালনা করছেন।কলকাতার ক্যামেরামান অমিত ছেত্রী চিত্রগ্রহণ করছেন।নেপালের পাশাপাশি জয়গাঁ ও ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় এই ছবির শ্যুটিং চলছে।জয়গাঁর মঙ্গলাবাড়ি এলাকায় রবিবার শ্যুটিং হয় এই ছবির।এই শ্যুটিং এই বিভিন্ন দৃশ্যে অভিনয় করলেন কমল পাখরিন।মেকআপ ম্যানের থেকে মেকআপ নিয়ে টেক দিতে দেখা যায় তাকে।
কথা প্রসঙ্গে জানা যায় জয়গাঁ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কমল পাখরিন ছোট থেকে অভিনয় করতে পছন্দ করেন।গান লেখেন,গান গাইতে পারেন।তাঁর নেপালে রয়েছে এক আত্মীয়ের বাড়ি।সেই আত্মীয়ের পরিচিত চলচ্চিত্র পরিচালক জেৎসুন মোক্তান।এই নেপালি চলচ্চিত্রের ডিজিপি-র রোলের জন্য একজন অভিনেতা খুঁজছিলেন।তখন কমল পাখরিনের সেই আত্মীয় কমলবাবুর কথা জানান পরিচালককে।এই বিষয়ে জয়গাঁ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কমল পাখরিন জানান,”নিজের ইচ্ছেগুলোকে ভুলে গেলে চলবে না।আমি সিনেমা দেখতে ভালোবাসি।নেপালি,বাংলা,হিন্দি সব সিনেমা দেখি।ছোট বেলায় স্কুলে নাটকে অংশগ্রহণ করতাম।এখনও সময় পেলেই গান করি,অভিনয় চর্চা করি।
সিনেমায় অভিনয় করব ভাবতাম,সেটাও সত্যি হল।একটু ভয় লেগেছিল কিন্তু টেক ভাল হয়েছে।”
তারপর নেপালে শ্যুটিং সেড়ে জেৎসুন মোক্তান চলে আসেন জয়গাঁতে।কমল পাখরিনের কাছে সিনেমার শ্যুটিং এর খবর শুনে এলাকার যুবক শ্যাম রাই অভিনয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেন।এই ছবিতে শ্যাম রাই পুলিশের ভূমিকায় রয়েছেন।