আদালতের নির্দেশে জেলা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দীর্ঘ বছর পরে বুনিয়াদপুরে জমি দখল পেলেন এক বাসিন্দা

0
152

আদালতের নির্দেশে জেলা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দীর্ঘ বছর পরে বুনিয়াদপুরে জমি দখল পেলেন এক বাসিন্দা
শীতল চক্রবর্তী বুনিয়াদপুর ১৪ জানুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর।কলকাতা উচ্চ আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ কয়েক বছর পর অবশেষে নিজের দখলকৃত জমি ফিরে পেলেন এক বাসিন্দা।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের সেলিমাবাদ মৌজার কোটমোড়ে ওই জমি বুধবার জেলা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা পুলিশ প্রশাসনকে মামলাকারীকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
সেই নির্দেশ পালন করে বুধবার জমির মালিক আরতি কর্মকারের ছেলে বাপ্পা কুমারকে সংশ্লিষ্ট জমির সম্পূর্ণ দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।আদালতের নির্দেশ যথাযথভাবে কার্যকর করায় জেলা পুলিশ প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক।
বাপ্পা কুমার জানান, ১৯৪০ সালে তাঁর পিতা সেলিমাবাদ মৌজায় এল আর খতিয়ানের অন্তর্গত দাগ নম্বর ২৫৩৮-এ মোট ২০৯শতক জমি ক্রয় করেছিলেন। সেই জমিগুলো বিনা কারনে তার কাছ থেকে বেদখল হয়ে যার বলে খবর।সেই দাগগুলির মধ্যে দাগ নম্বর ২৩৩-এ ১৯০ শতক(এল আর মিউটেশন অনুযায়ী ৬১শতক),দাগ নম্বর ২৩৪-এ ১৪২ শতক এবং দাগ নম্বর ২৩৫-এ ১৫৪ শতকের মধ্যে ৬শতক মিলিয়ে মোট ২০৯শতক জমি আদালতের নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে তাঁকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
কিছুদিন আগেই মামলাকারী বাপ্পা কুমার কলকাতা উচ্চ আদালতে এই জমি পুনরুদ্ধারের পক্ষে রায় পান। রায়ের কপি নিয়ে জেলা পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হলে বুধবার প্রশাসনের মধ্যস্থতায় পুরো জমির দখল তাঁকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এপ্রসঙ্গে বাপ্পা কুমার বলেন,
“এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন নানা টালবাহানা চলছিল।বাবার পৈতৃক সম্পত্তি অবশেষে উচ্চ আদালতে মামলা করে রায় পাওয়ার পর পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বুঝে পেলাম।জেলা পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।”
মামলাকারীর আইনজীবী পীযূষ চৌধুরী বলেন,“ দীর্ঘদিন মামলা চলার পর আদালত রায় দিয়েছে এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় মামলাকারী তাঁর জমির দখল ফিরে পেয়েছেন।প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।”
এদিন আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয় এবং সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে জমি আদালতের রায়প্রাপ্ত ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here