অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের জেলা সফরের আগেই বালুরঘাটে সেন্টার বন্ধ রেখে আন্দোলন অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকা ও দিদিমণিদের। ক্ষোভ অভিভাবকদের, খতিয়ে দেখার আশ্বাস জেলাশাসকের।
পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৮ জানুয়ারী ———–– অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের জেলা সফরের আগেই সেন্টার বন্ধ রেখে আন্দোলন অঙ্গনওয়াড়ি দিদিমনি ও সহায়িকাদের। সোমবার সকাল থেকে বালুরঘাট শহর ও শহর লাগোয়া একাধিক অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন খুদে পড়ুয়া ও তার অভিভাবকেরা। ঘটনা নিয়ে দিদিমণি ও সহায়িকাদের বিরুদ্ধে পালটা ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন অভিভাবকেরা। তাদের অভিযোগ, শিশুদের সঠিক খাবার পরিবেশন না করে খাবার চুরি করছে সহায়িকা ও দিদিমণিরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী ৯ ও ১০ জানুয়ারী দুই দিনাজপুরের বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার পরিদর্শন করবেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর অরুময় রায়। এদিন যার আগাম খবর পেতেই সকাল থেকে নিজেদের দাবি-দাওয়া নিয়ে বালুরঘাট শহর ও তৎসংলগ্ন এলাকার একাধিক সেন্টার বন্ধ রেখে আন্দোলনে নামেন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বেশকিছু সহায়িকা ও দিদিমণিরা। তাদের অভিযোগ, প্রায় দুমাসেরও বেশি সময় ধরে বকেয়া রয়েছে শিশুদের মিড-ডে মিল খাবারের টাকা। যার জেরে প্রায় প্রতিনিয়তই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। যদিও তাদের এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে অভিভাবকদের দাবি, সেন্টারগুলোতে শিশুদের সঠিক পরিমানে খাবার দেওয়া হয় না। যা নিয়ে দিদিমণি ও সহায়িকাদের বিরুদ্ধে খাবার চুরির অভিযোগও তুলেছেন তারা। শুধু তাই নয়, এদিন সকাল থেকে আচমকা এমনভাবে সেন্টার বন্ধ রাখবার কারনে তাদের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন অভিভাবকেরা। আর যাকে ঘিরেই তুমুল হইচই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা বালুরঘাট শহর সহ আশপাশের বেশকিছু এলাকা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক।
অভিভাবক স্বপন ঝা ও বীনা সাহারা বলেন, অন্যদিন খাবার পেলেও আজ খাবার না পেয়ে শিশুরা বাড়ি ফিরে গিয়েছে। কি কারনে সেন্টার আচমকা বন্ধ তা তাদের জানা নেই।
জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানিয়েছেন, অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারগুলিতে পেমেন্ট সিস্টেমের কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। যে কারণে কিছুটা সমস্যা তৈরি হতে পারে। কেন আচমকা সেন্টারগুলি বন্ধ করে রাখা হয়েছে সে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তারা।