অবসর গ্রহনের পরেও নয় বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনের কাজ করে চলেছেন

0
937

রায়গঞ্জ:——অবসর গ্রহনের পরেও নয় বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে জনসেবায় রায়গঞ্জ শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনের কাজ করে চলেছেন প্রাক্তন এন ভি এফ কর্মী ভীম ছেত্রী। রায়গঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রায়গঞ্জ শহরের গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক পয়েন্ট শিলিগুড়ি মোড়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণের কাজ করে চলেছেন ৭২ বছরের বৃদ্ধ রায়গঞ্জ শহরের এফ সি আই মোড়ের বাসিন্দা ভীম ছেত্রী। সকাল থেকে রাত অবিরাম বিনা পারিশ্রমিকে তাঁর এই পরিষেবা উদ্বুদ্ধ করেছে অন্যান্য ট্রাফিক পুলিশ কর্মীদের। অবসর নেওয়ার পর বাড়িতে বসে না থেকে পুনরায় ওই কাজ করেই নিজের শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার পাশাপাশি জনসেবায় নিজেকে নিযুক্ত করাই তাঁর উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন এন ভি এফ কর্মী। অবসরপ্রাপ্ত এন ভি এফ কর্মী ভীম ছেত্রীর এই ট্রাফিক কন্ট্রোল পরিষেবায় সাধুবাদ জানিয়েছেন রায়গঞ্জের মানুষ।

রায়গঞ্জ থানা সহ উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন থানায় দক্ষতার সাথে এন ভি এফ কর্মী হিসেবে কাজ করার পর করনদিঘী থানা থেকে ২০১২ সালে অবসর গ্রহন করেন রাজ্য সরকারের সিভিল ডিফেন্স বিভাগের কর্মী রায়গঞ্জ শহরের বাসিন্দা ভীম ছেত্রী। কর্মরত অবস্থায় জেলার বিভিন্ন শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন থেকে শুরু করে পুলিশের সাথে সবরকম কাজ করেছেন তিনি। ২০১২ সালে করনদিঘী থানা থেকে এন ভি এফ কর্মী ভীম ছেত্রী অবসর গ্রহনের পরেও আজ পর্যন্ত একদিনের জন্যও তাঁর নিত্য নৈমিত্তিক কাজ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনের কাজ করে চলেছেন তিনি। আজও সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি থেকে বেড়িয়ে রায়গঞ্জ শহরের শিলিগুড়ি মোড়ে পুলিশ ট্রাফিক পয়েন্টে পুলিশের সাথে ট্রাফিক কন্ট্রোল করছেন ৭২ বছরের বৃদ্ধ ভীম ছেত্রী। জনসেবার পাশাপাশি অবসর গ্রহনের পর নিজের শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার কারনেই তিনি এন ভি এফ পরিষেবা দিয়ে চলেছেন বলে জানালেন প্রাক্তন এন ভি এফ কর্মী ভীম বাবু। অবসরপ্রাপ্ত এন ভি এফ কর্মীর এই কাজ নিয়ে অনেকেই উৎসুক ছিলেন যে এই বৃদ্ধ বয়সে কেন এবং কিভাবে এই পরিষেবা দিয়ে চলেছেন। কিন্তু একদম জনসেবার স্বার্থেই ভীম ছেত্রীর স্বেচ্ছাশ্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রায়গঞ্জের বাসিন্দারা। একজন অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধ এন ভি এফ কর্মীর এই স্বেচ্ছাশ্রম অবশ্যই ট্রাফিক পুলিশ কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করবে তা বলাইবাহুল্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here